নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এক বছরের বেশি সময় ধরেই জেলবন্দী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বারবার জামিনের আবেদন করেও লাভ হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা জামিনের বিরোধিতা করে একাধিক যুক্তি দিয়েছে। তবে এবার সোজা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। আগামী মাসে এই মামলার শুনানি হবে।
আরও পড়ুন: দুপুর ২টো ২-এর পরে থেকে উধাও স্কুলের CCTV ফুটেজ! আজই শিক্ষকদের থানায় তলব


জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আদালতে জানানো হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যে সব অভিযোগ সামনে এসেছে, তার কোনওটিতেই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ নেই। এছাড়া তাঁর গ্রেফতারিতে যে বিপুল টাকা উদ্ধারের ঘটনা জড়িয়েছে সেই টাকা তাঁর বাড়ি থেকে পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেছেন তিনি। আগামী ৯ অক্টোবর এই মামলার শুনানি হতে পারে। বেশ কিছু সময় ধরেই জামিনের আবেদন করছেন তিনি। কিন্তু কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা আদালতে দাবি করেছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জামিন দিলে তদন্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনেকেই। মানিক ভট্টাচার্য, তাঁর স্ত্রী-পুত্র, জীবনকৃষ্ণ সাহা, তালিকায় রয়েছে এমন কয়েকজন বিধায়কের নাম। সম্প্রতি এই মামলায় মানিক পত্নী শতরূপা ভট্টাচার্যের পর জামিন মঞ্জুর করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এটাই প্রথম জামিন। শোনা যাচ্ছে, মানিকের স্ত্রীয়ের জামিনের পর থেকেই অভিযুক্তরা আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন। তাঁদের মধ্যেই একজন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।



উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ ‘বান্ধবী’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির ছয়দিনের মাথায় সমস্ত পদ থেকে অপসারিত করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তকারীরা দাবি করেছে নিয়োগ দুর্নীতিতে সরাসরি জড়িত পার্থ চট্টোপাধ্যায়। টাকার বিনিময়ে বহুজনকে চাকরি দিয়েছেন তিনি।
এক বছরেরও বেশি সময় গারদেই কাটছে, জামিনের আশায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ পার্থ








