Home Blog Page 6341

আজ শিলিগুড়িতে করোনায় মৃত্যু তিনজনের, ভীত শহরবাসী।

Corona virus in Siliguri

কুশল দাসগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ আজ শিলিগুড়িতে করোনায় মৃত্যু তিনজনের, ভীত শহরবাসী আজ শিলিগুড়িতে করোনাতে মৃত্যু হল তিনজনের এদের মধ্যে একজনের বাড়ি বিহারের কাটিহারে।আরো দুজন শিলিগুড়ির বাসিন্দা।দুজনের মৃত্যু হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের রিকু বিভাগে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে দিশান হাসপাতালে।

একই দিনে তিনজনের মৃত্যু চাঞ্চল্য এনেছে গোটা শিলিগুড়িতে।যত দিন যাচ্ছে শিলিগুড়িতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় আশি জন করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন হয় দিশান হাসপাতালে নয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের রিকু বিভাগে।এর মধ্যে আজ সকালে রিকুতে দুজনের মৃত্যু হয়। ওই দুজনের মধ্যে একজন বিহারের বাসিন্দা।

আরও পড়ুনঃ মরার আগে মরেন নি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক!

শরীরের নানান সমস্যা নিয়ে এসে তিনি ভর্তি হন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের রিকুতে।গতকাল তাকে সন্দেহজনক মনে করায় তাকে রিকুতে ভর্তি করানো হয়।আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।বাকি দুজনের একজন ভক্তিনগরের বাসিন্দা এবং আরেকজনের পরিচয় এখনও জানা যায় নি। অর্থাৎ এই প্রথম একই দিনে শিলিগুড়িতে করোনাতে মৃত্যু হল তিনজনের। এদিকে শিলিগুড়িতে করোনার সংক্রমন বাড়তে থাকায় চিন্তা ব্যাক্ত করেছে রাজ্য সাস্থ্য দপ্তর।

তারা ইতিমধ্যেই রাজ্যে এগারো জনের দল পাঠিয়েছে।এবারে শুধু শিলিগুড়ির জন্য তারা পঞ্চাশজনের একটি দল পাঠাবে বলে খবর পাওয়া গেছে।শিলিগুড়িতে যাতে আগামীদিনে সংক্রমন আর বেশী না ছড়ায় সেদিকে লক্ষ রাখবে এই পঞ্চাশ জনের দলটি। অন্যদিকে শিলিগুড়ি শহর জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। সাধারন মানুষের ব্যাখ্যা যেভাবে বাড়ছে সংক্রমণ আর মৃত্যু ভ্যাকসিন আসার মুক্তি নেই কারও।

একদিকে আজ শিলিগুড়িতে করোনায় মৃত্যু তিনজনের অন্যদিকে আজই পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন করোনা জয়ী অশোক ভট্টাচার্য। টানা ২১ দিনের লড়াইয়ের পর মারণ ভাইরাস কে ঘায়েল করে বাড়ি ফিরে এলেন শিলিগুড়ির সিপিআইএম বিধায়ক তথা পুরনিগমের প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য। করোনাজয়ী অশোকের বাড়ি ফেরা নিয়ে জনতার উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত। তাঁকে ফুলের মালা আর পুষ্পবৃষ্টিতে বরণ করে নিলেন সহকর্মী সহ শিলিগুড়ির বাসিন্দা রা।

বৃহস্পতিবার সকালে অশোকবাবুর সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ জানা যায়, অশোকবাবুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য এ দিন অশোক বাবু সোশ্যাল মিডিয়াতে মুখ্যমন্ত্রী, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

ভারত-চিনের মধ্যে উত্তেজনার জেরে, লাদাখে শুটিং স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত আমিরের

নজরবন্দি ব্যুরো: পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সীমান্ত নিয়ে ভারত এবং চিনের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত। আর তার জেরেই এ বার বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন আমির খান। শোনা যাচ্ছে, আমির-করিনা অভিনীত বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’-র লাদাখে শুটিং আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমির এবং তাঁর টিম।

লাল সিং চাড্ডা-র প্রযোজনার দায়িত্ব আমির এবং তাঁর স্ত্রী কিরণের। করোনার ফলে শুটিং পিছিয়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বিরাট অঙ্কের ক্ষতি হয়েছে তাঁদের। লাদাখে ছবির একটি বিরাটঅংশের শুট হওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে যা অবস্থা তাতে লাদাখে শুটিং করা সমীচীন হবে না বলেই মনে করছেআমিরের টিম।

তবে লাদাখের বদলে ছবির শুটিং শিডিউল বদলে হতে পারে কার্গিলে। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই নাকি ছবিটির পরিচালক অদ্বৈত চন্দনের সঙ্গে কথা বলেছেন আমির। শুধু সীমান্ত সঙ্ঘাতই নয়, দেশ জুড়ে যে ভাবে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে তাতে শুটিং শুরু করা ঠিক হবে কিনা সে বিষয়েও কথাবার্তা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আমির ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বয়ান অনুযায়ী, এই মুহূর্তে লাদাখে যা অবস্থা তাতে শুট করার কোনও প্রশ্নই আসে না। কিন্তু তার বদলে কার্গিলেই শুটিং হবে নাকি বেছে নেওয়া হবে অন্য কোনও জায়গা তা এখনও ঠিক হয়নি।

১৯৯৪-এর মুক্তিপ্রাপ্ত টম হ্যাঙ্ক অভিনীত ছবি ফরেস্ট গাম্প থেকে অনুপ্রাণিত ছবিটি। এ বছরের বড়দিনেই ছবিটি বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা আতঙ্ক, লকডাউন এবং সাম্প্রতিক ভারত-চিন বিবাদের ফলে শুটিং শেষ হতেই এখনও ঢের দেরি। মুক্তির দিন? তা আপাতত বিশ বাঁও জলে।

সুশান্তের বাবার নামে ফেক টুইটার অ্যাকাউন্ট, CBI তদন্তের দাবি নিয়ে টুইট!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবার নামে টুইটার অ্যাকাউন্ট। সেখান থেকেই একাধিক টুইট করা হচ্ছে। সুশান্তের মৃত্যুর CBI তদন্তের দাবি, বলিউডে নেপোটিজম সহ একাধিক বিষয়ে কে কে সিং রাজপুতের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বেশকিছু টুইট কয়েকদিন ধরেই চোখে পড়েছে নেটিজেনদের। এমনকি ওই টুইটার অ্যাকাউন্টে সলমনের আগামী ছবি ‘কভি ইদ, কভি দিওয়ালি’ বয়কটের কথা বলা হয়।

তবে আদপে তিনি কোনও টুইটার অ্যাকাউন্টই খোলেননি বলে জানিয়েছেন সুশান্তের বাবা। পরিবারের সূত্র পিটিআইকে আরও জানানো হয়েছে যে, পরিবার ২৭ শে জুনের পরে রাজপুত সম্পর্কিত কোনও বিবৃতি প্রকাশ করেননি, যাতে তারা সিনেমা, ক্রীড়া ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উচ্চাভিলাষী প্রতিভা সমর্থন করার উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন।

পরিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনও মিডিয়ার সাক্ষাত্কারর বা শেয়ার পোস্ট দেয়নি। খবরে বলা হয়েছে, সুশান্ত সিং এর বাবা ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন যে তাঁর অভিনেতা ছেলের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড এবং কিছু মানুষ একে আত্মহত্যা হিসাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন, এরকম কিচ্ছু বলা বা করা হয়নি।

উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ কি দ্রুত শেষ করা সম্ভব? বিশেষ প্রতিবেদন

upper Primary
upper Primary

নজরবন্দি ব্যুরো: পরীক্ষাতে পাশ করেও চাকরি পাওয়ার জন্য এখন তাকিয়ে থাকতে হয় আদালতের দিকে। আর সেই আদালতের রায়েই উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনি জালে জড়িয়ে।
প্রায় ১৪০০০ শিক্ষক নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল ২০১৭ সালের মধ্যে। ২০১৫ সালে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়। তারপরে কেটে গিয়েছে ৫ বছর। প্রশ্ন উঠছে, উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ কি দ্রুত শেষ করা সম্ভব?

কিন্তু আজও পাশ করা পরীক্ষার্থীরা নিয়োগের মুখ দেখল না। নতুন করে নিয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সম্প্রতি পরীক্ষার্থী ভানু রায়ের মামলায় বিচারপতি বিবেক চৌধুরী নির্দেশে জানিয়েছেন , মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে না। নিয়োগ করতে হলে হাইকোর্টের অনুমতি নিতে হবে কমিশনকে।

অপরদিকে, লকডাউনের ফলে গোটা দেশের অর্থনীতির বেহাল দশা। কঠিন এই পরিস্থিতিতে বিপর্যয় সামলাতে আগেই রাজ্যের কোষাগারে লাগাম টেনেছে অর্থ দফতর। মন্দা ঠেকাতে রাজ্যের বিভিন্ন দফতরের জন্য ব্যয় সঙ্কোচন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। কঠিন এই পরিস্থিতিতে নতুন নিয়োগ বন্ধের পথে পা বাড়াতে পারে রাজ্য সরকার। এমন ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে নবান্ন সূত্রে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষকতার স্বপ্ন ছেড়ে সব্জিবিক্রি, টোটো চালাচ্ছেন হবু শিক্ষকরা!

এই সব কারণে ভয় পাচ্ছেন হবু শিক্ষকরা। তবে কি করোনা আতঙ্কের জেরে আরও পিছিয়ে যাবে উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া। এ বছরের পুজোর আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান রয়েছেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের আধিকারিকরাও।

কয়েক বছর ধরে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক মামলা ঝুলছে আদালতে। বিশেষত কমিশনের তরফে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হলেও অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে ইতিমধ্যেই আদালতে তরফে পুরো নিয়োগ-প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ রয়েছে। তার উপরে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে দ্রুত গতিতে। সব মিলিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে শেষ করা সম্ভব হবে তা নিয়ে আশঙ্কায় পরীক্ষার্থীরা।

এবার এল দেশের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ “Elyments”

নজরবন্দি ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আত্মনির্ভর ভারতের ঘোষণা করেছিলেন। তারপর টিকটক -সহ ৫৯ টি অ্যাপ ব্যান হয়েছে দেশে। এবার এল দেশের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ Elyments।উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু গতকালই উদ্বোধন করেছেন এই অ্যাপের।

আর্ট অব লিভিং বেসরকারি সংস্থার হাজারো আইটি কর্মীরা মিলে এই অ্য়াপ তৈরি করেছেন। আর্ট অব লিভিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্বঘোষিত ধর্মগুরু রবিশঙ্কর। তাঁদের দাবি এটিই দেশের প্রথম সোশাল মিডিয়া সুপার অ্যাপ।চলতি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ অর্থাৎ হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে লড়তে হবে এই অ্যাপকে। অ্যাপটি ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ বার প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড হয়ে গিয়েছে।চলতি অন্যান্য অ্যাপের মতোই এই অ্যাপে একাধিক ভারতীয় ভাষা রয়েছে।

রয়েছে অডিয়ো ও ভিডিয়ো কলের সুবিধা। নতুন এই অ্যাপ সংস্থার দাবি, ভারতের তথ্য নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।অ্যাপ উদ্বোধনের সময় ভেঙ্কাইয়া নাইডু জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতিকে মাথায় রেখে নতুন প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোকে মজবুত করতে হবে।

মার্কিন রণতরীকে ধ্বংস করার প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি চীনের, পাত্তা দিল না মার্কিন নৌবাহিনী

নজরবন্দি ব্যুরো: দক্ষিণ চিন সাগরের গোটাটাই চিনা সেনার দখলে রয়েছে৷ সেখানে কোনও মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের গতিবিধি চিনের ইচ্ছের উপরে নির্ভরশীল৷ আমেরিকাকে হুমকি দিয়ে এমনই দাবি সহ ট্যুইট করেছিল চিনের সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমস৷চিনের এই চোখরাঙানিকে কার্যত আমলই দিল না মার্কিন নৌসেনা৷

ট্যুইটের জবাব দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হল, এখনও দক্ষিণ চিন সাগরে দু’টি মার্কিন রণতরী রয়েছে৷ চিনের ভয়ে ওই যুদ্ধজাহাজগুলি প্রত্যাহারের কোনও সম্ভাবনাই নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছে মার্কিন নৌসেনা৷দক্ষিণ চিন সাগরে পরমাণু জ্বালানিতে চলা যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম দু’টি রণতরী মোতায়েন করেছে আমেরিকা৷ সেখানেই সামরিক মহড়া চালাচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনী৷

এর পরই রবিবার গ্লোবাল টাইমস-এর মাধ্যমে মার্কিন নৌবাহিনীকে হুমকি দেয় চিনা সেনা৷ দাবি করা হয়, DF-21D এবং DF-26-এর মতো অ্যান্টি এয়ারক্র্যাফ্ট কেরিয়ার কিলার মিসাইলের নাগালের মধ্যেই রয়েছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দু’টি৷ চাইলেই চিন মার্কিন রণতরীগুলিকে ধ্বংস করতে পারে বলেও প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দেয় চিন৷

যদিও চিনের এই দাবিতে বিশেষ আমল দেয়নি মার্কিন নৌবাহিনী৷ তারা গ্লোবাল টাইমস-এর ট্যুইটের জবাব দিয়ে জানায়, তাদের দু’টি রণতরী USS Nimitz এবং USS RonaldReagan এখনও দক্ষিণ চিন সাগরেই রয়েছে৷ সেখান থেকে সরে আসারও কোনও পরিকল্পনা নেই৷ চিনের হুঁশিয়ারির জবাবে মার্কিন নৌবাহিনীও জানিয়ে দিয়েছে, তারা যা করবে নিজেদের ইচ্ছেতেই করবে৷

ফের এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে ১৬ জন করোনা আক্রান্ত।

নজরবন্দি ব্যুরো: ফের সংকটে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। এবার হাসপাতালের মোট ১৬ জন চিকিৎসক-অধ্যাপক ও রোগীদের শরীরে মিলল করোনাভাইরাস সংক্রমণ। ফলে আবার বন্ধ হতে বসেছে হাসপাতালের একাংশ।মনোরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, মেডিসিন বিভাগের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর-সহ মোট ১৬ জনের দেহে সংক্রমণ মেলায় কার্যত সন্ত্রস্ত অবস্থা এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে।

আজ, সোমবার সকালে গোটা ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে তৎপরতা। মেডিসিন, সার্জারি, প্রসূতি বিভাগ, অর্থোপেডিক-সহ একাধিক ওয়ার্ডের রোগীরা সংক্রামিত হয়েছেন বলে খবর মিলেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। রোগীদের অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।এনআরএস এর আগেও করোনা নিয়ে এই সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

এপ্রিল মাসের ৬ তারিখে প্রথম করোনা-আতঙ্কে এনআরএস হাসপাতালে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল মেডিসিন মেল ওয়ার্ড। ১৪ বেডের সিসিইউ বিভাগও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এভাবে কোনও হাসপাতালের ১৪০ রোগীর মেল মেডিসিন ওয়ার্ড ও সিসিইউ একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলায় নজিরবিহীন ছিল। ৩৯ জন চিকিৎসক-সহ মোট ৬৪ জন স্বাস্থ্যকর্মীর পজ়িটিভ এসেছিল করোনার রিপোর্ট। হাসপাতালে চরম চিকিৎসক-সংকট দেখা দেয়।

এর পরে মে মাসের ২ তারিখে এনআরএসে চিকিৎসাধীন ছ’জন প্রসূতি ও এক চিকিৎসকের শরীরে কোভিড সংক্রমণ মিলেছিল। এক রোগীর মৃত্যুর পর রিপোর্ট আসে পজিটিভ। ওই ঘটনার পর প্রসূতি বিভাগের একটি অংশ সিল করে দেওয়া হয়। ফের মে মাসের ১১ তারিখে সংক্রমণ ধরা পড়ে বেবি নার্সারি বিভাগের এক নার্সের দেহে। সিল হয় হাসপাতালের একাংশ।

সুশান্ত কাণ্ডে জেরার মুখে বানসালি, নেপটিজম নিয়ে মুখ খুললেন টাইগার

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে যোগ দিতে সোমবার বান্দ্রা থানায় পৌঁছান চিত্রপরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি। তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করার জন্য বানসালিকে বান্দ্রা পুলিশ তলব করেছে এবং প্রয়াত অভিনেতাকে তিনি যে ছবিগুলি দিয়েছিলেন, সেগুলি নিয়ে প্রশ্ন করা হবে, যা বাস্তবায়িত হয়নি।

বানসালি আজ সাড়ে বারোটার দিকে থানায় উপস্থিত হন এবং তাঁর আইনজীবী এবং তাঁর কয়েকজন কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। অপর দিকে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে বলিউডে স্বজনপোষণ আলোচনা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে । এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন জ্যাকি পুত্র টাইগার। তিনি বলেন ‘একজন স্টারের সন্তান হওয়ায় বাড়তি চাপ রয়েছে। কারণ সবাই মনে করেন আমাদের জন্য সব কিছুই খুব সহজ। তবে হ্যাঁ আমি মিথ্যে বলবো না, বাড়তি নজর থাকায় কিছু সুবিধা রয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে চাইলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আমি আমার বাবার ছায়া থেকে বের হতে পেরেছি। আমার বাবা ৩০বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন। অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন এই সময়ে এবং আমাকে সবকিছু থেকে সুরক্ষিত রেখেছেন। যেহেতু আমি এখন ময়দানে, তাই আমাকে লক্ষ্যে করে এগুলো বলা সহজ।’

মুক্তি পেল সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’র ট্রেলার। দেখুন

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষ ছবি ‘দিল বেচারা‘র ট্রেলার আজ মুক্তি পেল। ২৪ জুলাই ডিজনি প্লাস হটস্টারের মুক্তি পাবে ছবিটি। কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবড়া নেতৃত্বাধীন চলচ্চিত্রটি জন গ্রিনের ২০১২ সালের সেরা ‘ দ্য ফল্ট ইন আওয়ার স্টার ‘অবলম্বনে নির্মিত।

এটি ৮ ই মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু করোনা ভাইরাস মহামারীজনিত কারণে ছবিটি মুক্তি পায়নি।সুশান্তের মৃত্যুর পর তাঁর শেষ ছবি দিল বেচারাকে নিয়ে অনুগামীদের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মরার আগে মরেন নি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক!

শুধু তাই নয়, সুশান্তের অনুপস্থিতিতে তাঁর সিনেমা দেখতে হবে, তা কখনও কেউ কল্পনাও করতে পারেননি বলে মন্তব্য করত শুরু করেন ভক্তরা। দিল বেচারা মুক্তির আগে তাই সুশান্ত অনুগামীদের চোখে জল। দেখুন ‘দিল বেচারা’র ট্রেলার।

মরার আগে মরেন নি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মরার আগে মরেন নি তিনি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক ভট্টাচার্য। টানা ২১ দিনের লড়াইয়ের পর মারণ ভাইরাস কে ঘায়েল করে বাড়ি ফিরে এলেন শিলিগুড়ির সিপিআইএম বিধায়ক তথা পুরনিগমের প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য। করোনাজয়ী অশোকের বাড়ি ফেরা নিয়ে জনতার উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত। তাঁকে ফুলের মালা আর পুষ্পবৃষ্টিতে বরণ করে নিলেন সহকর্মী সহ শিলিগুড়ির বাসিন্দা রা।

বৃহস্পতিবার সকালে অশোকবাবুর সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ জানা যায়, অশোকবাবুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য এ দিন অশোক বাবু সোশ্যাল মিডিয়াতে মুখ্যমন্ত্রী, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

গত ১৬ জুন থেকে মাটিগাড়ার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা শিলিগুড়ি মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য। পরপর দু’বার covid19 এর সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর গতকাল তাঁর সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। সিপিআইএমের দার্জিলিং জেলা সম্পাদক জীবেশ সরকার জানিয়েছেন, অশোকবাবুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

অন্যদিকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন করোনা মুক্ত অশোক বাবু, এক বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, “আমার করোনা আক্রমণের প্রায় ২০ দিন হলো। কয়েকদিন আগে আমার পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এখন সুস্থ বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় রয়েছি। করোনা নিয়ে অনেক রকম প্রচারের কথা শুনে আসছি। আমার কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা হল, এই ক’দিনে। প্রথম অভিজ্ঞতা হল, করোনা হলেই মৃত্যু নয়। মরার আগেই মরবো কেন? লড়াই করার মানসিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।“

রাজ্যের ক্ষেত্রে রোগ দ্রুত নির্ণয় করে চিকিৎসা হচ্ছে না, যদি তা হত তাহলে করোনা মোকাবিলা করতে অনেক সুবিধা হত বলে দাবি করে তিনি বলেন, “আমার ক্ষেত্রেও বিলম্ব হয়েছিল। অনেক করোনা রোগী সেভাবে কোনও শারীরিক অসুবিধে বুঝতেই পারেন না। অনেক ডাক্তার এই সমস্ত রোগীদের এড়িয়ে যান। তখন তাঁকে একের পর এক ডাক্তারের কাছে ছুটে বেড়াতে হয়। এই সময়ে রোগীর যা ক্ষতি হওয়ার, হয়ে যায়। বিশেষ করে তাঁর রক্তে অক্সিজেন কমে যায়। অনেক ক্ষেত্রে এই অবস্থায় রোগীর মৃত্যু হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার আরেকটি বিষয় মনে হয়েছে। তা হল, একটু আন্তরিকতার সাথে চিকিৎসা ও চিকিৎসাকর্মীদের সাহসিকতার সঙ্গে সেবা করা। আমি দেখেছি এঁদের ডেডিকেশন ও সাহস। এঁদের জন্যেই আমার মতো অনেকে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। কিন্তু ওঁরাই বলছিল, সমাজে যে সম্মান বা মর্যাদা পাওয়া উচিত, তা কিন্তু পায় না। তাঁদের সবসময় থাকতে হয় আতঙ্কের মধ্যে। এখানেই পশ্চিমবঙ্গের মতো একটি এগিয়ে চলা রাজ্যের লজ্জা।”