কুশল দাসগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ আজ শিলিগুড়িতে করোনায় মৃত্যু তিনজনের, ভীত শহরবাসী আজ শিলিগুড়িতে করোনাতে মৃত্যু হল তিনজনের এদের মধ্যে একজনের বাড়ি বিহারের কাটিহারে।আরো দুজন শিলিগুড়ির বাসিন্দা।দুজনের মৃত্যু হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের রিকু বিভাগে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে দিশান হাসপাতালে।
একই দিনে তিনজনের মৃত্যু চাঞ্চল্য এনেছে গোটা শিলিগুড়িতে।যত দিন যাচ্ছে শিলিগুড়িতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় আশি জন করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন হয় দিশান হাসপাতালে নয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের রিকু বিভাগে।এর মধ্যে আজ সকালে রিকুতে দুজনের মৃত্যু হয়। ওই দুজনের মধ্যে একজন বিহারের বাসিন্দা।
আরও পড়ুনঃ মরার আগে মরেন নি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক!
শরীরের নানান সমস্যা নিয়ে এসে তিনি ভর্তি হন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের রিকুতে।গতকাল তাকে সন্দেহজনক মনে করায় তাকে রিকুতে ভর্তি করানো হয়।আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।বাকি দুজনের একজন ভক্তিনগরের বাসিন্দা এবং আরেকজনের পরিচয় এখনও জানা যায় নি। অর্থাৎ এই প্রথম একই দিনে শিলিগুড়িতে করোনাতে মৃত্যু হল তিনজনের। এদিকে শিলিগুড়িতে করোনার সংক্রমন বাড়তে থাকায় চিন্তা ব্যাক্ত করেছে রাজ্য সাস্থ্য দপ্তর।
তারা ইতিমধ্যেই রাজ্যে এগারো জনের দল পাঠিয়েছে।এবারে শুধু শিলিগুড়ির জন্য তারা পঞ্চাশজনের একটি দল পাঠাবে বলে খবর পাওয়া গেছে।শিলিগুড়িতে যাতে আগামীদিনে সংক্রমন আর বেশী না ছড়ায় সেদিকে লক্ষ রাখবে এই পঞ্চাশ জনের দলটি। অন্যদিকে শিলিগুড়ি শহর জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। সাধারন মানুষের ব্যাখ্যা যেভাবে বাড়ছে সংক্রমণ আর মৃত্যু ভ্যাকসিন আসার মুক্তি নেই কারও।
একদিকে আজ শিলিগুড়িতে করোনায় মৃত্যু তিনজনের অন্যদিকে আজই পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন করোনা জয়ী অশোক ভট্টাচার্য। টানা ২১ দিনের লড়াইয়ের পর মারণ ভাইরাস কে ঘায়েল করে বাড়ি ফিরে এলেন শিলিগুড়ির সিপিআইএম বিধায়ক তথা পুরনিগমের প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য। করোনাজয়ী অশোকের বাড়ি ফেরা নিয়ে জনতার উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত। তাঁকে ফুলের মালা আর পুষ্পবৃষ্টিতে বরণ করে নিলেন সহকর্মী সহ শিলিগুড়ির বাসিন্দা রা।
বৃহস্পতিবার সকালে অশোকবাবুর সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ জানা যায়, অশোকবাবুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য এ দিন অশোক বাবু সোশ্যাল মিডিয়াতে মুখ্যমন্ত্রী, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।



