নজরবন্দি ব্যুরো: ED-র নজরে অভিনেত্রী নুসরত! ফ্ল্যাট বিক্রিতে প্রতারণার মামলায় তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তবে প্রথম থেকেই প্রশ্ন উঠছিল যে, আদৌ নুসরত ইডি দফতরে যাবেন তো? সব মিলিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। আর সেই সমস্ত জল্পনা মিথ্যে করেই সময়ের আগেই ইডির দফতরে এসে পৌঁছালেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী নুসরত জাহান।
আরও পড়ুন: Weather Update: ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কলকাতায় তুমুল বৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গে বজায় থাকবে অস্বস্তি


অভিনেত্রী নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২৩ কোটি ৮ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা প্রতারণার করেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ২০১৪-’১৫ সালে ৪০০-র বেশি প্রবীণ নাগরিক একটি সংস্থায় অর্থ জমা দেন। আর অপি সংস্থার ‘অন্যতম ডিরেক্টর’ ছিলেন নুসরত, এমনটাই দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। অভিযোগ, ওই সংস্থা থেকে প্রত্যেকের কাছ থেকে সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। বদলে তাঁদের এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত না কোনও ফ্ল্যাট, না টাকা ফেরত পেয়েছেন তাঁরা।

শুধু তাই নয়, তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা নিয়ে, ফ্ল্যাট না দিয়ে, ওই টাকায় নিজেই বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন তিনি। এরপরেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। কিন্তু তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। এরপর আদালতের দারস্থ হলে শমন পেয়েও হাজিরা দেননি সাংসদ তথা অভিনেত্রী। তাই অবশেষে ইডি দফতরে গিয়ে অভিযোগ জানান শঙ্কুদেব।



যদিও এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরে অভিনেত্রী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নুসরতের তরফে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানানো হয়েছিল যে, ঋণ নিয়ে তিনি ফ্ল্যাট কিনেছেন। সেই ঋণ সুদ-সহ ফিরিয়েও দিয়েছেন। তাছাড়াও সংস্থার সঙ্গে তাঁর আর কোনও যোগাযোগ নেই। তিনি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন বলে দাবি করেন নুসরত। এরপরেই এদিন ইডির তরফ থেকে ডেকে পাঠানো হয় অভিনেত্রীকে।
ফ্ল্যাট বিক্রিতে প্রতারণার অভিযোগ, ইডির দফতরে পৌঁছালেন অভিনেত্রী








