নজরবন্দি ব্যুরো: খুচরো বাজারে ওষুধের দাম কী হবে তা ঠিক করে ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথোরিটি তথা এনপিপিএ। গত ২৬ মে তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা ছিল। তাতে যা ঠিক হয় তা শুক্রবার ঘোষণা করেছে এনপিপিএ। সেই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এবার থেকে আরও ২৩টি অতিরিক্ত ওষুধের খুচরো মূল্য নির্ধারিত করবে এনপিপিএ।
আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতের আগে মুর্শিদাবাদে তৃণমূলে ধস, শক্তি বাড়ল হাত শিবিরের


সেই তালিকাও তারা ঘোষণা করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে ভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮টি কম্পোজিশনের সর্বোচ্চ দাম। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ, টাইপ টু ডায়াবেটিস, অ্যালার্জি, টিবির মতো অসুখের ওষুধ। নির্দেশিকা অনুযায়ী, মায়োব্যাকটেরিয়াম টিবির ওষুধ আইসোনিয়াজিডের ঊর্ধ্বসীমা ঠিক করা হয়েছে ১ টাকা ২৯ পয়সা।

ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্লাইক্লাজাইড ইআর ও মেটফরমিন হাইড্রোক্লোরাইডের সর্বোচ্চ মূল্য রাখা হয়েছে ১০.০৩ টাকা। নিঃসন্দেহে এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি পেলেন ডায়াবেটিসের রোগীরা। এদিকে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ টেলমিসার্টান, ক্লোরথালিডন ও ক্লিনিডিপাইনের ক্ষেত্রে দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে ১৩.১৭ টাকায়। ব্যথা কমানোর ওষুধ যেমন ট্রিপসিন, ব্রোমেলেনের সর্বোচ্চ দাম করা হয়েছে ২০ টাকা ৫১ পয়সা।
স্বস্তি মধ্যবিত্তের, ২৩টি নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বেঁধে দিল এনপিপিএ



খুচরো বাজারে ওষুধের বল্গাহীন দাম নিয়ে জনমানসে বিস্তর ক্ষোভ রয়েছে। গত কয়েক বছরে লাফিয়ে লাফিয়ে ওষুধের দাম বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণের জন্যই আরও ২৩টি ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নিল এনপিপিএ।








