নজরবন্দি ব্যুরো: রবিবার ছুটির দিন সকালেই সাংঘাতিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বারসাত দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রাম। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এবার সরেজমিনে তদন্তে বিস্ফোরণস্থলে উপস্থিত হলেন NIA প্রতিনিধি দল। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতোই তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করলেন।
আরও পড়ুন: প্রতিশোধপন্থী সরকার! গ্রেফতার হতে চলেছেন অভিষেক? মমতার ফোনে এল ভয়ানক ‘বার্তা’


চার মাসে চারটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ। স্বাভাবিকভাবেই উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল। দত্তপুকুরের বিস্ফোরণকাণ্ডের তীব্রতা ছিল এতটাই মারাত্মক যে ৫ কিলোমিটার দূর থেকে আওয়াজ পাওয়া যায়। ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় মৃতদের দেহ। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আশেপাশের বাড়িও। এই ঘটনার জেরে এখনও আতঙ্কিত মোচপোলবাসী। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন এবং শাসক দলের মদতেই এখানে অবৈধভাবে বাজি ব্যবসা চলছিল। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে আইএসএফের নামে দোষ দিয়েছেন তৃণমূল নেতা রথীন ঘোষ।

মোচপোল এলাকায় এখনও নানান জায়গায় বাজি মজুদ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বাঁশ বাগানে তাঁবু খাটিয়ে ‘দেশি’ উপায়ে ল্যাবরেটরি বানানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। বিস্ফোরণের মাত্রা এত তীব্র হল কেন? সে বিষয়ে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, বারুদের পাশাপাশি পটাশিয়াম ক্লোরেট, বেরিয়াম নাইট্রেটের মতো রাসায়নিকের উপস্থিতিতেই বিস্ফোরণ এতটা তীব্র হয়েছে।



বাজির আড়ালে কি আসলে রমরমিয়ে তৈরি হত বোমা? সরেজমিনে তদন্তে দত্তপুকুরে NIA দল
যদিও সোমবার NIA প্রতিনিধিদল বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেনি। পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যে চার জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে এক জন আইএসএফের ব্লক পর্যায়ের নেতা। এর আগে NIA তদন্তের দানি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে বিজেপি ও সিপিএম। সোমবার যদিও স্বতঃপ্রণোদিতভাবেই ঘটনাস্থল ঘুরে গেলেন NIA-এর দুই আধিকারিক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এখনও এই নিয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি।








