নজরবন্দি ব্যুরো: কোকেন কান্ডে নয়া মোর, কোকেন কান্ডের জের! বিজেপি নেতা রাকেশ সিং গত ১০ বছর ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। মোদি জমানায় ধীরে ধীরে সে নিজের প্রভাব প্রত্তিপত্তি বাড়িয়ে গিয়ে রাজ্য বিজেপির পাশাপাশি বৃহত্তর কলকাতার অবাঙালি সমাজেও। কার্যত গোট কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনার কলকাতা লাগোয়া এলাকার একটা বড় অংশেই রয়েছে রাকেশের প্রভাব। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনা।
আরও পড়ুনঃ নাগালের বাইরে জ্বালানির দাম, প্রতিবাদে ইলেকট্রিক স্কুটি চেপে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী


বিজেপির নবান্ন অভিযানে পুলিশকে আক্রমণ করার ঘটনায় শিরাকোলে নাড্ডার কনভয় থেকে প্ররোচনামূলক উস্কানি দিয়ে সংঘর্ষ ছড়ানোর চেষ্টা সব কিছুতেই রয়েছে রাকেশের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ। পুলিশের খাতায় তার বিরুদ্ধে এইসব ঘটনা ছাড়াও মোট ৫৬টি মামলা জমা রয়েছে।কিন্তু এর কোনটার সঙ্গেই রাকেশের প্রত্যক্ষ যোগাযোগের কোনও প্রমাণ পুলিশ হাতে পায়নি। তাই রাকেশকে তাঁরা এতদিন ধরতেও পারেননি। কিন্তু পামেলা গোস্বামীর মাদককাণ্ড রাতারাতি পুলিশের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়। পামেলা পুলিশের কাছে সরসরি অভিযোগ করে রাকেশই তাঁকে ফাঁসিয়েছে।
এর পর গত কাল অনেক নাটকের পর গতকাল তাকে গ্রেফতার করে কোলকাতা পুলিস। আর এর পরেই পামেলা ও রেকেশ কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করে পুলিশ। আর এক ঘণ্টার জেরা ঠিক কী কী তথ্য উঠে এসেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর তদন্তকারীদের হাতে একটি বিস্ফোরক অডিও ক্লিপ এসেছে আর তা থেকেই উঠে এসেছে একাধিক প্রভাবশালী নেতাদের নাম।
কোকেন কান্ডে নয়া মোড়, আসলে পামেলাকে গ্রেপ্তারের পরই তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। সেখানেই মিলেছে একটি অডিও ক্লিপ ও বেশ কয়েকটি মেসেজ। তা থেকেই কোকেন কাণ্ডে প্রয়োজনীয় বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। প্রকাশ্যে এসেছে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম। পুলিশ সুত্রে খবর ইতিমধ্যেই অডিও ক্লিপ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।


প্রয়োজনে এই কাণ্ডে উঠে আসা রাজনৈতিক নেতাদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হতে পারে। গত কাল বুধবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে ১ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার দেখার ব্যপার এটাই যে পুলিশি জেরাতে আরও কি কি তথ্য উঠে আসে এই কোকেন কাণ্ডে।







