Netaji: নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি! কিন্তু কেন

নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি! কিন্তু কেন
Netaji's disappearance has not been solved in 70 years

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি। ভারতের দুর্ভাগ্য এই যে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের দুই বীর সৈনিকের কোনো মৃত্যু দিবস আমাদের জানা নেই । প্রথম জন ছিলেন ১৮৫৭ সালের ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক নানা সাহেব । সেই যুদ্ধের পর ইংরেজরা তাঁর কোনো হদিস পাননি ।

আরও পড়ুনঃ নেতাজি যে দেশের জন্য লড়াই করতেন, সেই দেশেই তাঁর বিরোধী ছিল, মন্তব্য আরএসএস প্রধানের

বহুদিন ধরে মানুষ অপেক্ষা করে ছিলেন কবে তিনি ফিরে আসবেন । অনেকের মতে তিনি নাকি নেপালে চলে যেতে সমর্থ হয়েছিলেন । অন্য জন নেতাজী । যাঁর অন্তর্ধ্যান কে ঘিরে রহস্যের সমাধান আজও আমরা করে উঠতে পারি নি । অনেক সন্দেহ, অনেক চাপানো উতর, অনেক জল ঘোলা হবার পরেও এই বীরের শেষটা এখনও রহস্যাবৃত । ভারত সরকারের একাংশ মনে হয় যেন চান – এই রহস্য এমনই থাকুক!

নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি! কিন্তু কেন
নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি! কিন্তু কেন

বেশির ভাগ মানুষই বিশ্বাস করেন, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু টোকিও যাওয়ার সময় তাইহোকু বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি। দুর্ঘটনার কয়েক দিন পর ২৩ আগস্ট টোকিও রেডিও ঘোষণা করে বিমান দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নেতাজি তাইহোকুর সামরিক হাসপাতালে মারা গেছেন। নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি।

ভারতবাসী এখনো সেই রহস্য জানার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। জানা যায়, তাঁর এই অন্তর্ধান রহস্য উন্মোচনের জন্য ১৯৫৫, ১৯৭০ ও ১৯৯৯ সালে তিনটি তদন্ত কমিশন হয়েছিল। তদন্তের মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি তাইহোকু বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন কি না? আজাদ হিন্দ ফৌজের যে ধন-রত্ন তাঁর সঙ্গে বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তা কোথায় গেল?

নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি! কিন্তু কেন

যদি ওই দুর্ঘটনায় মারা না গিয়ে থাকেন তাহলে নেতাজি কোথায়, কিভাবে নিরুদ্দেশ হলেন এবং কোথায় আছেন? এসব প্রশ্নের উত্তর আজও পরিষ্কার হয়নি। নেতাজি গবেষক চন্দ্রচূড় ঘোষ মনে করেন, কেন্দ্রীয় সরকার যদি চায় তবে একমাসের মধ্যে সত্য উদ্ঘাটন করতে পারে। দেশের যাঁরা শীর্ষ নেতা-নেত্রী, সত্যটা তাঁদের অজানা নয়; পূর্ণ সত্য জানা না থাকলেও অনেকেরই পরিষ্কার একটা ধারণা আছে।

প্রশ্ন হল, তাহলে সত্যটা কেউ সামনে আনছেন না কেন? তার কয়েকটা কারণ আছে। রহস্যটা জিইয়ে রেখে বিতর্কটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে তাতে রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যায়। সম্পূর্ণ সত্যটাকে প্রকাশ করে দিলে কারওই আর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের উপর সে-নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি! কিন্তু কেন?

নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা ৭০ বছরেও হয়নি! কিন্তু কেন

জনমত বা জনরোষ কত তীব্র হবে বা কোনদিকে মোড় নেবে তা কেউ জানে না। সব সরকারই এই অনিশ্চয়তাকে ভয় পেয়ে এড়িয়ে যেতে চায়। তারা ভাবে, খাল কেটে কুমির আনার কী প্রয়োজন? নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু প্রকৃত অর্থে অমর । নেতা হিসেবে শৌর্যে-বীর্যে ভারতবাসীর কাছে তাঁর এক বিশেষ স্থান আছে ।