নজরবন্দি ব্যুরোঃ আন্দোলনের পথ বেছে নিয়ে উত্তরের আশায় দিন গুনছেন হবু শিক্ষকরা। কিন্তু সরকারের তরফে মেলেনি উত্তর। এবার আন্দোলনকারীদের পাশে মানবাধিকার সংরক্ষণ সঙ্ঘ এর রাজ্য সভানেত্রী সঙ্গীতা চক্রবর্তী। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ কৃষ্ণের সাথে শাশুড়ির প্রেম! বউ রেখে চম্পট দুজনে, তারপর?


সঙ্গীতা চক্রবর্তীর প্রশ্ন, “মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত সকল মেধাতালিকাভুক্ত চাকরী প্রার্থীর চাকরি সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ ও কেনো ২৭৯ দিন তাদের রাস্তায় কাটাতে হয়? কেন আত্মঘাতী হয় মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থী? কেন কৃষক মেহেনতি মজদুর সমাজের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় পাশ করেও দুর্নীতির শিকার হয়ে বঞ্চিতই থেকে যায়? কেনো দুর্নীতির বলি হতে হয় শিক্ষিত মেধার”?

২০১৬ সালে এসএসসির মেধাতালিকায় নাম থাকলেও চাকরী থেকে বঞ্চিত হয়েছেন হবু শিক্ষকরা। এরপর ২৯ দিন ধরে প্রেস ক্লাবের সামনে চলে অনশন। পর মুখ্যমন্ত্রী নিজে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগের। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও হয়নি নিয়োগ। ফের আন্দোলনের পথই বেছে নিতে হয়েছে হবু শিক্ষকদের। এদিন গান্ধী মুর্তির পাদদেশ থেকে বঞ্চিত হবু শিক্ষকদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন সঙ্গীতা চক্রবর্তী।
চাকরী প্রত্যাশীদের বক্তব্য, আজ স্কুল গুলো শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এদিকে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা রাস্তায় বসে আছে তাঁদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে। শীত, ঝড়, মহামারীর প্রচণ্ডতাকে উপেক্ষা করে তাঁদের দিন কাটে রাস্তায়। ন্যায্য চাকরীর দাবীতে মেয়েদের রাত কাটে অনশন মঞ্চে। তাঁদের প্রশ্ন, যে স্কুল সার্ভিস কমিশন আজ আইন দেখাচ্ছে তাঁরা কোন আইনে নিজের গেজেটকে লঙ্ঘন করে নম্বর প্রকাশ না করে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়? কোন আইনে তালিকায় পিছনে থাকা প্রার্থীরা আগে নিয়োগ পান?


আন্দোলনকারীদের পাশে মানবাধিকার সংরক্ষণ সঙ্ঘ, দীর্ঘ আন্দোলনেও মেলেনি সাড়া

তাঁরা আশাবাদী সম্পুর্ণ অরাজনৈতিক ভাবে ২৭৯ দিন অনশনরত আন্দোলনকারীদের সমস্যা সমাধান করে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মানবিক মুখের পরিচয় দেবেন। হবু শিক্ষকদের বক্তব্য, স্কুল সার্ভিস কমিশন নিজের গেজেটকে মান্যতা দিয়েই ১:১.৪ অনুপাতে নিয়োগ করে। আইনি পথ মেনে মেধাতালিকাভুক্ত সকলের চাকরী সুনিশ্চিত করুক। তবেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ণ হবে। তাদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন। মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রেখেই ফের আন্দোলনে শামিল হয়েছেন তাঁরা।







