নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিয়রে শনি হেভিওয়েটদের, নারদা তদন্ত সরানোর সবুজ সংকেত পেল সিবিআই। মামলা সরতে পারে গুয়াহাটি অথবা ভুবনেশ্বরে। ভিডিও কনফারেন্সিং-এ সিবিআই কলকাতাকে সবুজ সংকেত দিয়েছে দিল্লির সদর দফতরের। এই খবর পাওয়া গেছে সিবিআই সূত্রে। জানা গিয়েছে অভিযুক্তদের মুক্তির দাবিতে আজ যেভাবে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ধর্না দিয়েছিলেন তাঁর পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত।
আরও পড়ুনঃ করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিদিন গোমূত্র পান করুন, আবেদন বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞার!


সিবিআই সোমবার সকালে রাজ্যের ২ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং দুই প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে। দলের নেতাদের গ্রেফতারিতে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি ধর্ণায় বসেন একেবারে নিজাম প্যালেসের অন্দরে। পরে চার জনের জামিনের খবর পাকা করে ধর্না তোলেন মমতা!
উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভার্চুয়াল মাধ্যমে CBI-এর বিশেষ আদালতে তাঁদের ভার্চুয়াল শুনানি শুরু হয়। আদালতে তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজত চেয়ে আবেদন জানায়। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, এই চারজন অত্যন্ত প্রভাবশালী। ফলে সাক্ষ্যপ্রমান লুঠ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু, তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক।
বিচারক অনুপম মুখোপাধ্যায় বিশেষ সিবিআই আদালত ভারচুয়াল শুনানির পর ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়,মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যাকে অন্তবর্তী জামিন দেন। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডের বিনিময়ে জামিন পেয়েছেন তাঁরা।


তবে নগরদায়রা আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীরা। এদিকে কলকাতার সিবিআই আধিকারিকদের তরফে আবেদন করা হয় দিল্লির সদর দফতরে। বলা হয় নারদে অভিযুক্তদের তদন্ত পশ্চিমবঙ্গে চালানো মুশকিল হচ্ছে। কারন অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই প্রভাবশালী। সূত্রের খবর কলকাতা দফতরের আবেদনে সবুজ সংকেত দিয়েছে দিল্লির সদর দফতর। শিয়রে শনি হেভিওয়েটদের, নারদা তদন্ত সরছে গুয়াহাটি অথবা ভুবনেশ্বরে। এখন দেখা শেষ পর্যন্ত কি হয়। আপাতত গ্রেফতার হওয়া চারজন ৫০ হাজার টাকার ব্যাক্তিগত বণ্ডে জামিন পেয়েছেন।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



