নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের খবরে নন্দীগ্রাম! ভোট গনণার আগেই উধাও হাইভোল্টেজ কেন্দ্রের গুরুত্বপুর্ন তথ্য। গোটা ঘটনায় এলাকা জুড়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা অভিযোগের আঙুল তুলেছেন ঘাসফুল শিবিরের দিকেই। ২১ এর নির্বাচনে ২৯৪ কেন্দ্রের মধ্যে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ছিলো নন্দীগ্রাম। প্রার্থী নির্বাচনে টক্কর হয়েছে সেয়ানে সেয়ানে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী, অন্যদিকে বিজেপির হয়ে তাঁরই পুরানো সেনাপতি শুভেন্দু অধিকারী। দুই অভিজ্ঞর সঙ্গে জোটের হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন তরুন মুখ মীনাক্ষী মুখার্জী।
আরও পড়ুনঃ করোনার বাড়াবাড়িতে ভোট প্রচার দায়ী নয়! হাইকোর্টকে তেমনটাই বোঝাচ্ছে কমিশন।


তার পরেও নিজের কেন্দ্রে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আহত হওয়া থেকে দ্বিতীয় দফার ভোট, নন্দীগ্রাম দিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক। সব মিলিয়ে গোটা নির্বাচনের এমনকি ফলাফলেও সকলের চোখ হটসিট নন্দীগ্রামের দিকেই। আর ভোট মেটার ঠিক পরে, এবং গনণার ঠিক আগে আবার খবরে উঠে এলো সেই কেন্দ্র। তৃণমূল পরিচালিত আমদাবাদ ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতে ঘটেছে চুরির ঘটনা। রাতের অন্ধকারে তালা ভেঙে চুরি করেছে দুষ্কৃতিরা। খোয়া গেছে হার্ডডিস্ক, কম্পিউটার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি। অন্যদিকে সমগ্র ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই অভিযোগ স্থানীয় গেরুয়া শিবিরের দলীয় কর্মীদের।
ফের খবরে নন্দীগ্রাম! সূত্রের খবর গতকাল আমদাবাদ ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সব আলো নেভানো ছিলো, আর রাতের অন্ধকারে সেই সুযোগে চুরি করেছে দুষ্কৃতিরা। তবে গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য আমফানের চাল চুরি, গত পঞ্চায়েত ভোটের বেআইনি তথ্য সরিয়ে ফেলতেই এই চুরি করিয়েছে শাসক দলই। পরিকল্পনা করে সরিয়ে ফেলেছে সব।
নন্দীগ্রাম ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বিজেপি সহ-সভাপতি দিলীপ পালের জানিয়েছেন তদন্ত চান যথাযথ,তিনি জানিয়েছেন, ”তৃণমূল তো চুরিতেই অভ্যস্ত। বরাবর চুরি করে। আমফানের চাল চুরি করেছে। এবার পঞ্চায়েতের দুর্নীতি ঢাকতে এসব চুরি করিয়েছে ওরা নিজেরাই। নাহলে রাতে কেন সব আলো নেভা ছিল? আমরা এর যথাযথ তদন্ত চাই।” নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছেন বলেই সূত্রের খবর।









