নজরবন্দি ব্যুরোঃ সরকারি তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২.৩০ কোটি পরিবার স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড পেয়েছে। ব্যক্তি-উপভোক্তা ধরলে সংখ্যাটা কমবেশি আট কোটি। প্রশাসন লক্ষ্য করেছে, স্বাস্থ্যসাথীর তথ্যভান্ডারে এমন অন্তত ৫০ লক্ষ উপভোক্তা রয়েছেন, যাঁদের আধার নম্বরের উল্লেখ নেই। আবার কিছু কার্ডে একই আধার নম্বর।
আরও পড়ুনঃ করোনা বিধি না মানলে বন্ধ হবে লোকাল ট্রেন! জানালো পূর্ব রেল


তাই প্রকৃত আধার নম্বরযুক্ত কার্ডগুলি চিহ্নিত করতে সব জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। ইতিমধ্যে সব জেলা প্রশাসনকে এই মর্মে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে এবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড যাচাই করে ভুয়ো কার্ড বাতিল করতে হবে। কিন্তু কি কারণে এই ঝাড়াইবাছাই করার সিদ্ধান্ত/ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজ্যে বহু সামাজিক প্রকল্প চলছে এবং সেই সব খাতে খরচ বিপুল।

আয়ের সীমিত উত্সেঞর মধ্যে সেই সব খরচ চালানো বেশ কঠিন। তাই সরকার শুধু প্রকৃত উপভোক্তাদের জন্যই অর্থ ব্যয় করতে চাইছে। বাতিলযোগ্য কার্ড চিহ্নিত করা গেলে বিপুল অঙ্কের টাকা বাঁচানো সম্ভব এবং তাতে প্রকৃত প্রাপকদের চাহিদা মেটানো সহজ হবে। কি কি সমস্যা? অনেক উপভোক্তার আধার নম্বরের উল্লেখ নেই কার্ডে। সেই সংখ্যা প্রায় ৫০ লক্ষ। অনেক কার্ডে একই আধার নম্বর।
একই পরিবার ভেঙে কি একক সদস্যের পরিবার দেখানো হচ্ছে? সরকারি অনুমানের থেকেও একক সদস্যের পরিবারের সংখ্যা বেশি। এই নিয়ে এক প্রশাসনিক কর্তা বলেন, ‘অনেকে দীর্ঘ দিন একা থাকেন। পরিজন কেউ নেই। তেমন কাউকে একক উপভোক্তা ধরে নিতে সমস্যা নেই। কার্ড পেতেও সমস্যা নেই। কিন্তু পরিবার ভেঙে বা তেমন দাবি করে একই পরিবারে একাধিক কার্ডের বন্দোবস্ত করার চেষ্টা ঠিক নয়।


ভুয়ো স্বাস্থ্যসাথী কার্ড চিহ্নিত করতে এবার নির্দেশ নবান্নের
তাই বিষয়টি দেখা খুব দরকার।’ সে কারণে জেলা শাসকদের নবান্ন নির্দেশ দিয়েছে, প্রতি উপভোক্তার আধার নম্বর সংগ্রহ করতে হবে। সেই নম্বর মূল তথ্যভাণ্ডারে সংযুক্ত থাকবে। একমাত্র সব ন্যায্য উপভোক্তারা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।







