নজরবন্দি ব্যুরো: এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড! বাড়ির উঠোনে পড়ে রয়েছে প্রৌঢ়ের গলা কাটা দেহ। মুণ্ডুর খোঁজ শুরু হতেই বাড়ির অদূরে এক ধানখেতে মিলল সন্ধান। ঘটনাস্থল উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের এলাকায়। হত্যাকাণ্ডের কারণ নিয়ে রহস্য ঘনাচ্ছে।
আরও পড়ুন: KMC: এবার বাড়িতে বসেই পাওয়া যাবে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র থেকে মিউটেশন, সিদ্ধান্ত পুরসভার


পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত প্রৌঢ়ের নাম মোস্তাক (৫৭)। মালদহের কালিয়াচকের বাসিন্দা হলেও তিনি উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের বাঙালবাড়ি মোড়ে ভাড়া থাকতেন তিনি। শুক্রবার সকালে বাড়ির সদস্যরা দরজা খুলতেই তাঁর উঠানে গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

উঠানে পড়ে গলা কাটা দেহ, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে

ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে পুলিশের একটি দল। তল্লাশি শুরু হতেই ধানখেত থেকে কাটা মুণ্ডু উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে খবর। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, মোস্তক হেমতাবাদে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন এবং ফেরিওয়ালার কাজ করতেন। কিন্তু মালদহে থাকাকালীন দুষ্কৃতীমূলক কাজকর্ম করতেন বলে খবর। এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে মোস্তকের অতীত যুক্ত রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ভাড়া বাড়ি থেকে কীভাবে দূরে গেলেন মোস্তক তা এখনও স্পষ্ট নয়।
![]()


উল্লেখ্য, এদিন সকালেই কোচবিহারের শীতলকুচিতে এক নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটে। তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা ও তাঁর পরিবারকে বাড়িতেই কুপিয়ে খুন করা হয়। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রে খবর, মৃতার ছোট মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল যুবকের। কিন্তু বাড়িতে আপত্তি থাকায় যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় তরুণী। সেই আক্রোশ থেকেই খুনের পরিকল্পনা করে অভিযুক্ত। তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী ও বড় মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্তের প্রেমিকা অর্থাৎ মৃতার ছোট মেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি বলে খবর।







