নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজীবের পর তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে ফোন ‘চাণক্য’ মুকুলের, জল্পনা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে। ক্ষমতায় ফিরেই দলবদলুদের প্রতি মমতাময়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন “আসতে চাইলে আসুক! দলে স্বাগত”। তারপর থেকেই শোভন থেকে প্রবীর ঘোষাল একে একে উল্টোসুরে সকলের মুখে শোনা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা।
আরও পড়ুনঃ শপথ নিয়েই নিজের টিমের ‘কামব্যাক’, বীরেন্দ্র-জাভেদ শামিমকে পুরনো পদে বহাল মমতার।


তৃণমূল সূত্রে আজ সকালে জানা যায় দলে ফিরতে চেয়ে ফোন করেছেন প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয় রাজীব দলের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলেও শোনা যায়। আর এবার আরও এক হেভিওয়েট নেতার দলে ফেরার জল্পনা। তিনি রাজ্য রাজনীতির ‘চাণক্য’ মুকুল রায়। শুধু তাই নয় সুত্রের খবর তিনি একা নন সাথে ১১ জন বিধায়ক ও ২ সাংসদকে নিয়ে দলে ফিরতে চান মুকুল। এই নিয়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ইতিমধ্যেই ফোন করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। আর বিজেপির হয়ে কাজ করতে চান না মুকুল।
তাই পুরনো দলে ফিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছত্রছায়ায় ফের কাজ করতে চান তিনি। তবে তিনি একা নন ১৩ জন বিধায়ক সাংসদ নিয়ে দলে ফিরে আসার কথায় এই জল্পনা আরও তুঙ্গে হয়েছে। তবে তৃণমূলের সরকারি সূত্র বা মুকুল রায় কেউই এই ব্যাপারে এখনও মুখ খোলেননি। তবে রাজ্য রাজনীতির ট্রেণ্ড মানলে এই ঘটনা স্বাভাবিক মনে হয়।
যদিও দলের বিপদের সময়ে দলবদলুদের দলে ফেরানো নিয়ে দলে দ্বিধা রয়েছে। দলের কঠিন সময়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়া কর্মীরা অনেকেই রাজি নয় এদের দলে ফেরাতে। তবে মুকুলের মত দুঁদে রাজনীতিবিদ সঙ্গে আরও ১৩ জন সাংসদ-বিধায়ক থাকায় তাঁদের ফেরানোর ভাবনা ভাবতেই পারে তৃণমূল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এই নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পরেই সিদ্ধান্ত হবে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।









