লালের হাল ফেরাবে মীনাক্ষী-ঐশী-শতরুপরা, বড় দায়িত্ব দিচ্ছে আলিমুদ্দিন।

লালের হাল ফেরাবে মীনাক্ষী-ঐশী-শতরুপরা, বড় দায়িত্ব দিচ্ছে আলিমুদ্দিন।
লালের হাল ফেরাবে মীনাক্ষী-ঐশী-শতরুপরা, বড় দায়িত্ব দিচ্ছে আলিমুদ্দিন।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ লালের হাল ফেরাবে মীনাক্ষী-ঐশী-শতরুপরা, বড় দায়িত্ব দিচ্ছে আলিমুদ্দিন। দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম শাসন, তার আগে এবং পরের ১০ বছর, আসন সংখ্যা কমিয়ে বাড়িয়ে ছিলেন কেউ কেউ, তবে এবার একেবারে উল্টো। এই নির্বাচনে এককথায় ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছে বামেরা। অনেকেই মনে করছেন ১৯৭২এর কঠিন সময়েও এমন সংকট তৈরি হয়নি দলে।। কিন্তু এমন ধরাশায়ীর কারণ কী? এত আঁটঘাট বেঁধেও নিট ফল জিরো কেনো? একমাস ধরে নিজেরা ভেবে চিন্তে গতকাল আলিমুদ্দিনে বৈঠক হয়েছে রাজ্য কমিটির।

আরও পড়ুনঃ আবার মুকুল-মমতা জুটি সময়ের অপেক্ষা? শুভ্রাংশুর ইঙ্গিতে ঘৃতাহুতি তৃণমূলের।

সেখানে আলিমুদ্দিনের ভোট ম্যানেজারদের কার্যত তুলোধনা করেছে জেলা নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি যদি হারের পর্যালোচনা করার জন্য বৈঠক বসে আলিমুদ্দিনে তাহলে আব্বাসের সঙ্গে জোটের আগে কেন বৈঠক করেনি আলিমুদ্দিন। এতোদিন পর্যন্ত পীরজাদার সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে শীর্ষ নেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হলেও তাঁরা মার্জিত উত্তর দিয়েছেন, তবে সব থেকে বেশি সমস্যা হয়েছে জেলার নেতাদের। একে দলের শীর্ষ নেতারা আলোচনা করেননি। তার পরে সাধারণ কর্মীদের অনিচ্ছার উত্তর দিতে হয়েছে তাঁদের। তবে হার স্বীকার থেকে আব্বাস ইস্যু সব কিছুর মধ্যেও গতকালের আলিমুদ্দিন বৈঠকে যে অপর বক্তব্য উঠে এসেছে তা হলো লালে হার ফেরাতে এবার কালো মাথাদের আরও বড় দায়িত্ব দিচ্ছে আলিমুদ্দিন।

৭ শতাংশ থেকে ৭০এ যেতে নতুন মুখকে নির্বাচন কালেই সামনে এনেছিল সিপিএম। শতরুপের পাশাপাশি এই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন ঐশী, দিপ্সীতা, মিনাক্ষী, সৃজন, প্রতীকুর, সায়নদ্বীপ সহ একঝাঁক কাঁচা মুখ। এবং নির্বাচন কাল সমীক্ষা করলে দেখা যায়, ভোটের প্রচারে এইসব নতুন মুখের উদ্যাম, স্লোগানের ঝাঁঝ, পতিপক্ষকে আক্রমনের তীব্র অথচ মার্জিত ধরণ বেশ ভালো আলো কেড়েছিলো। গোটা নির্বাচন কাল এবং তার পরেও শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি সমান প্রচারে রয়েছেন ওই নতুন জ্বলে ওঠা মুখগুলি। করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সহ নিজেদের এলাকার মানুষের জন্য নিজেদের সাধ্যমত কাজ করছেন অহরহ।

তাই এবার সওয়ার হওয়ার বড়ো দায়িত্ব তাঁদের কাঁধে দিচ্ছে লাল। এমনিতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে দলের অন্দরেই একাধিক বার ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সাদা মাথার লোকেরা জায়গা দিচ্ছে না তরুণ দের। সেই মিথ ভেঙ্গেই এবার তৈরি হয়েছিল প্রার্থী তালিকা। উচ্ছসিত হয়েছিল বাম সমর্থক থেকে সাধারণ মানুষ। ভোট ব্যাঙ্কে তার প্রভাব দেখা না গেলেও, তাঁদের না হারার মানসিকতা, হারের পর ভেঙে না পড়ার উদ্যম ভাবিয়েছে আলিমুদ্দিনকে।

আর সেই কারনেই এবার স্পর্ধা আর সাসহের মেলবন্ধনের নতুন মুখ গুলি আগামী দিনে পালন করবে আরও বড়ো দায়িত্ব। চেন ফ্ল্যাগে মাঠ সাজানো থেকে ‘হকের লড়াই’ লড়তে হবে তাঁদের।  আপাতত সিদ্ধান্ত হয়েছে বিরোধী থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী বা সাধারণ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানতে চাওয়া হবে কেন তাঁরা সিপিআইএম প্রার্থীদের ভোট দিলেন না। সিপিআইএম কি করলে আবার ফিরে আসবে জনসমর্থন…!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here