নজরবন্দি ব্যুরো: গত মঙ্গলবার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম অভিযোগ তোলেন, বর্তমান সরকারের যে খোদ দফতর অর্থাৎ নবান্ন, সেই নবান্নের জমি নাকি মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত ছিল, কিন্তু রাজ্য সরকার জোর করে সেই জায়গা নিয়ে নিয়েছে। এবার নবান্ন নিয়ে নাম না করে মহম্মদ সেলিমকে জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায়। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ করে পুনর্বাসন হবে, ব্যবসায়ীদের ৫ লক্ষ করে ঋণ দেবে সরকার।
আরও পড়ুন: আগের থেকে ভাল আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তবে সঙ্কট এখনও কাটেনি


ব্যাপারটা ঠিক কী? সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম অভিযোগ তোলেন, ‘আজ যে নবান্ন দেখছেন, সেটা কোনও নবান্ন ছিল না। ১৪ তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্টুডিও বানিয়েছে। আমরা অন্য কোথাও সরব না। ওনাকে ১৪ তলা থেকে সরতে হবে’।
![]()
মঙ্গলাহাটের জমিটি ব্যক্তিগত মালিকাধীন। তাই এই জমি যাদের হাতে রয়েছে তাদের ডেকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিব এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে খবর। একদিন আগেই সেখানে ঘুরে এসেছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেখানে গিয়ে তিনি আশ্বাস দেন ব্যবসায়ীদের, আগামী সোমবার খুলে দেওয়া হবে মঙ্গলাহাট।



মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মঙ্গলাহাট নিয়ে কেউ কেউ অপপ্রচার চালাচ্ছেন। নবান্ন জমি কেড়ে নিচ্ছে। এটা ভুল তথ্য। ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছিল এখানে আসতে। তাঁরা আসেননি। এটা ব্যক্তিগত মালিকাধীন জমি। যাদের জমি তাঁরা বেঁচে দিয়েছেন। সেটা নিয়ে মামলা চলছে। মুখ্যসচিবও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং যাদের জমি তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। দরকার পড়লে আমরা অধিগ্রহণ করব। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ব্যবসার জন্য রাজ্য সরকার ৫ লক্ষ টাকা করে লোনের ব্যবস্থা করবে’।

প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ করে পুনর্বাসন, ব্যবসায়ীদের ঋণের ব্যবস্থা, মঙ্গলাহাট নিয়ে আপোষ চান না মমতা








