নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলের চেয়ারপার্সন হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দিতা করেনি কেউই। তবে তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটিতে কারা থাকবেন? সেই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ Post Poll Violence: অধরা নলহাটি-শীতলকুচি মামলার অভিযুক্তরা, পুরষ্কার ঘোষণা করল সিবিআই


এদিন তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচনে আমন্ত্রিত ছিলেন বামফ্রণ্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। কিন্তু তাঁরা কেউ আসেননি। নিজের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন, আপনারা বাংলা সামলান আর আমাকে বলুন আপনি দেশ থেকে বিজেপিকে হটান। বাংলা থেকে যদি তৃণমূল সিপিএমকে হারাতে পারে তাহলে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে সরাতে পারবে দাবী দলনেত্রীর।
গতকাল একটা বাজেট পেশ হল। বাজেটে হিরের দাম কমেছে। অথচ সাধারণ মানুষের জন্য কিছু ভাবেনি। ডাল-ভাতের কথা কিছু ভাবেনি। মানুষ চাল চায়, ডাল চায় হিরে নয়। কিছু বললেই এখন পেগাসাস দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। অভিষেক-পিকের ফোন ট্যাপ করা হয়েছে প্রমাণিত হয়েছে। কংগ্রেস বিজেপির হয়ে ভোট করছে। একলা চলেই ভারত জয় করবে তৃণমূল।
বিজেপি চু কিতকিত করছে। বিজেপির রত্ন ইডি সিবিআই। কখনও কোভিডের দোহাই দিচ্ছে। কখনও পুলওয়ামার নাম করে ভোট নিচ্ছে। আমরা এসব খেলা জানি। দুর্যোধন, দুঃশাসন এদের দেখলে ডুবে মরত। প্রধানমন্ত্রী নোটবন্দী করেছে। তার বদলে আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করেছি।


বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলের চেয়ারপার্সন, আক্রমণ বিজেপিকে

তৃণমূল করতে গেলে ভারত সম্পর্কে জানা দরকার, রাজ্য সম্পর্কেও জানতে হবে। তৃণমূল সম্পর্কেও জানতে হবে। আমি প্রত্যেকটা ঘটনা বইয়ে লিপিবদ্ধ করে রেখেছি। অনেকেই এখনকার বামেদের অত্যাচারের কথা জানেন না। এখন ত্রিপুরায় অত্যাচার হচ্ছে, জেলে ঢোকানো হচ্ছে, মারধর করা হচ্ছে, গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে। বাংলায় এর থেকে বেশি অত্যাচার সহ্য করেছি। তৃণমূল লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে একমাত্র। তৃণমূলের আরেক নাম সংগ্রাম, আন্দোলন। তৃণমূল মুখে নয়, কাজে বিশ্বাস করে।







