নজরবন্দি ব্যুরো: গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হাওড়ার মঙ্গলাহাট। একের পর এক শাড়ির দোকানে আগুন। কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ২১ জুলাইয়ের সভা শেষ করেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর মেয়াদ আরও ১ মাস বাড়ানোর আবেদন হাইকোর্টে


এদিন দুপুরে মঙ্গলাহাটে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। সেইসঙ্গে কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল তার কারণ খুঁজে বের করতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাঁচ লক্ষ টাকা করে ঋণ দেবেন বলেও ঘোষণা করেন। রাজ্যের অন্যতম ব্যস্ত বাজার চত্বর হাওড়ার মঙ্গলাহাট। বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু মানুষ এখানে কেনবেচা করতে আসেন। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের অন্তত ১৪ টি ইঞ্জিন। সারা রাত ধরে আগুন নেভানোর কাজ চলে। কিন্তু সকাল হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা যায়নি।



শুক্রবার সকালে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘটনাস্থলে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের। দমকলের তরফে জানানো হয়, দোকানগুলি মূলত বাঁশ ও কাঠের তৈরি হওয়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি। প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে আগুন লেগেছে। বহু কাপড়ের দোকান ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। তবে পাশেই গঙ্গা থাকায় জন সরবরাহে কোনও ঘাটতি হচ্ছে না বলেই জানিয়েছে দমকলকর্মীরা।

উল্লেখ্য, আজ ২১ জুলাই, তৃণমূলের শহীদ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন জেলার মানুষ জমায়েত করে ধর্মতলা চত্বরে। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই বক্তৃতা রাখেন। বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, গান্ধী জয়ন্তীতে ‘দিল্লি চলো’ ডাক দিয়েছেন দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।
২১ জুলাইয়ের সভা শেষ করে মঙ্গলাহাটে মমতা, ঘুরে দেখলেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা








