নজরবন্দি ব্যুরোঃ মালালা ইউসুফজাই। তখন তাঁর ১৫ বছর বয়স। মেয়েদের শিক্ষার প্রচার করছিলেন বলে তাঁকে গুলি করেছিল পাকিস্তানি তালেবান। তারপর জীবন বাঁচাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় লন্ডনে। এরপর সেখানেই ১০ বছর ধরে চলছে বসবাস। এরমধ্যে পেয়েছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার।
আরও পড়ুনঃ ফের সিএবির মসনদে সৌরভ? ভারতীয় বোর্ডের মসনদ অতীত হবার পর জল্পনা তুঙ্গে


সেই হামলার ১০ বছর পর জন্মভূমি পাকিস্তানে গেলেন মালালা ইউসুফজাই। ২০১২ সালে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বুলেটের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিল নোবেলজয়ীর মস্তিষ্কের বাঁ দিকের অংশ। একসময় তো পুরোপুরি অনুভূতিহীন হয়ে পড়েছিলেন মালালা। ঘটনার সময় ১৫ বছর বয়স ছিল তাঁর।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে পেশোয়ারের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তাররা অস্ত্রোপচার করে তার বাঁ দিকের ‘টেমপোরাল স্কাল বোন’ সরিয়ে দেন। এতেই প্রাণরক্ষা হয়। তারপর ধীরে ধীরে অবস্থার অবনতি হলে মালালাকে এয়ারলিফ্ট করে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানেই দীর্ঘ চিকিৎসা চলে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন মালালা। এমন এক সময়ে পাকিস্তানে ফিরলেন মালালা, যখন তাঁর শহর মিনগোরাতে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে তালেবানি শাসন। পাকিস্তানে এবারের বর্ষা মৌসুমে অস্বাভাবিক ভারী বর্ষণ হয়েছে। এতে সৃষ্ট বন্যায় দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জলে তলিয়ে যায়।


১০ বছর পর জন্মভূমি পাকিস্তানে গেলেন মালালা ইউসুফজাই।
সিন্ধু ও বেলুচিস্তান প্রদেশে ফসলহানি এবং সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মালালা ফান্ড’ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সাহায্য পাবে। বন্যাবিধ্বস্তদের পাশে দাঁড়াতেই সেখানে গিয়েছেন মালালা। জানা গিয়েছে, দুর্গতদের সবরকম সাহায্য করবেন তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মালালা ফান্ড।







