নজরবন্দি ব্যুরোঃ কামারহাটির প্রশাসক করুন, নাহলে তাড়িয়ে দিন! জয়ের পরে মমতার প্রথম দলীয় বৈঠকের আগে চিরাচরিত ভঙ্গীতে লাইভে এসে এমনটাই দাবী করেছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। যদিও এই মুহুর্তে তার ওয়ালে লাইভটি আর দেখা যাচ্ছে না। তবে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে লাইভে এসেছে হাজার কথার মাঝে আচমকা কামার হাটির প্রশাসক পদের আবদার করে বসেন তিনি।


এর আগেও দুঃখে, আনন্দে, হাসপাতালে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে কড়া রোদে প্রায় সবসময়েই নিজের মনে কথা ব্যাক্ত করেন তিনি। হাসপাতালে থাকা কালীনই লাইভে এসে জানিয়েছিলেন নারদ মামলা চলার জন্য এই বাইরে বেশি কথা বলতে পারবেন না, তাই সময় পেলেই লাইভে এসে মনের কথা খুলে বলবেন তিনি। গত ক’দিনে জেল-হাসপাতাল থেকে মুক্তির আনন্দে বেশ কয়েকবার লাইভে এসে গানও গেয়েছেন তিনি।
এবার লাইভে এসে কামারহাটির অবস্থা থেকে একাধিক বিষয়ে কথা বলেন। লাইভ থেকেই কামারহাটির দৈন অবস্থার কথাও তুলে ধরেন, বলেন বিটি রোডের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। দীর্ঘদিন রাস্তার সারাই হয় না। পৌরসভা কোনও কাজ করেনি। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি যাঁদের মনে করেন আহারে দুদুভাতু খায়! তাঁরা যে কী জিনিস! নিজের যুক্তির সপক্ষে তিনি নাম তুলে আনেন সৌগত রায়ের। লাইভেই বলেন অধ্যাপক সৌগত রায়কে জিজ্ঞাসা করুন, বোঝা যাবে আমি ঠিক বলছি কিনা।
অভিযোগের পরেই তিনি জানান কামারহাটির এই দৈন দশা একেবারেই চোখে দেখা যায়না। তাঁর নিদান মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার তাঁর ওপর ভরসা করে দায়িত্ব দিন কামারহাটির প্রশাসনের, তিনমাসেই তিনি বদলে দেবেন সব। সঙ্গে বলেন ‘দরকার হলে বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দিতে রাজি। কিন্তু আমার উপর একটু ভরসা রেখে দেখুন না। কামারহাটির প্রশাসক করুন, নাহলে তাড়িয়ে দিন! আমি মদন মিত্র বলছি। নিরাশ হতে হবে না।’ কিছু ক্ষেত্রে তাঁর কথায় অভিমান শোনা গিয়েছে। সময় চেয়েছেন নিজেকে প্রমাণ করার জন্য। যদিও আপাতত ডিলিট হয়েছে ভিডিওটি। দল বা মমদ মিত্র, উভয়ের কাছ থেকেই এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি আর।









