শক্তি প্রদর্শন নাকি অন্য কিছু? এবার উপরাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লু টিক তুলে নিল ট্যুইটার

শক্তি প্রদর্শন নাকি অন্য কিছু? এবার উপরাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লু টিক তুলে নিল ট্যুইটার
শক্তি প্রদর্শন নাকি অন্য কিছু? এবার উপরাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লু টিক তুলে নিল ট্যুইটার

নজরবন্দি ব্যুরো: শক্তি প্রদর্শন নাকি অন্য কিছু? কিছুদিন আগেই ভারত সরকারের সাথে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলির তরজা শুরু হয়েছে এই তরজা প্রধানত ভারত সরকারের সোশ্যাল মিডিয়ার উপর তৈরি কিছু নতুন নিয়ম কে কেন্দ্র করে। শুধু তরাজাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি ঘটনা, শেষে মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। ভারতে ব্যবসা করতে হলে কেন্দ্রের ডিজিটাল মিডিয়ার আইন মেনে চলতে হবে বলে সাফ নির্দেশ দেয় দিল্লি হাই কোর্ট।

আরও পড়ুনঃ মুকুলের বিকল্প অভিষেকই? তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

তারপরই সুর নরম করে টুইটার। সংস্থাটি জানায়, দেশের আইন মেনেই ইউজারদের গোপনীয়তা বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে। কিন্তু মামলা যে আদৌ মেটেনি তা স্পষ্ট করে এবার উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডুর পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে ‘ব্লু টিক’ মুছে দেয় মার্কিন মাইক্রো-ব্লগিং সাইটটি। যদিও কিছু ঘন্টা পর আবার সেই ব্লু টিক ফিরিয়ে দেওয়া হয় উপরাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্টে।

 

কিন্তু এই ব্লুটিক এর অর্থ কি? এই ব্লুটিক এর অর্থ হল ওই ব্যক্তির একাউন্টি ভেরিফাইড। ট্যুইটারের এইরকম কাজের জন্য শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে। কিন্তু আসল ঘটনাটি কি সেটা জানতে হলে একটু পিছনে ফিরে যেতে হবে আজ থেকে প্রায় চার মাস আগে ভারত সরকার সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু নিয়মকানুন জারি করেছিলেন এবং এই নিয়মকানুন মানার জন্য প্রত্যেক সোশ্যাল মিডিয়ার অফিসকে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ডিজিটা‌ল কনটেন্ট সংক্রান্ত ওই নয়া নির্দেশিকা জারি করে তা কার্যকর করার জন্য ৩ মাস সময় দিয়েছি‌ল। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে গত ২৫ মে।

শক্তি প্রদর্শন নাকি অন্য কিছু? তারপরও সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলির সঙ্গে কেন্দ্রের বিবাদ অব্যাহত। ফেসবুকের তরফে নিঃশর্তে কেন্দ্রের নতুন গাইডলাইন মানার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও বেঁকে বসে ট্যুইটার । সরকারের নতুন নিয়মের বিরোধিতা করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় জনপ্রিয় এই সোশ্যাল মেসেজিং অ্যাপ। তাদের অভিযোগ ছিল ভারতের এই নয়া আইন বাকস্বাধীনতার পরিপন্থী হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু শেষমেশ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টদের মতোই এবার টুইটারও কেন্দ্রের শর্ত মেনে নিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here