নজরবন্দি ব্যুরোঃ চলতে পারে লোকাল ট্রেন, আতঙ্ক কাটিয়ে ১৬ই জুন থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারে রাজ্য। রাজ্যের ভোট পর্বের মাঝে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঢুকে পড়ায় লাগামহীন হয়েগিয়েছিল ভাইরাসের সংক্রমণ। ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল মৃত্যু সংখ্যা। আর তা ঠেকাতে লোকাল ট্রেন, মেট্রো বন্ধ করার পাশাপাশি কার্যত আংশিক লকডাউন জারি করা হয় বাংলায়। এবার সেই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হতে পারে বলে খবর।
আরও পড়ুনঃ শোভনের বাড়ির পবিত্রতা নষ্ট করে ‘পরকীয়া’ করছেন রত্না, অভিযোগ ক্ষুব্ধ বৈশাখী-র!!
সাধারণ মানুষের কথা ভেবে প্রথমে এরাজ্যে লকডাউন না হওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী জানালেও পরে মাত্রাছাড়া সংক্রমণের জেরে গত ১৫ মে দুপুর ১২ টা নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যে ১৫ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকার জানিয়েছিল, ১৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত লকডাউন চলবে। পরে, বৃহস্পতিবার ২৭ মে। প্রাথমিক ভাবে ঘোষিত আংশিক লকডাউনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৭২ ঘণ্টা আগেই ফের লকডাউনের মেয়ার বাড়ায় রাজ্য সরকার।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৫ই জুন পর্যন্ত আংশিক লকডাউন জারি থাকছে রাজ্য জুড়ে। কিন্তু তার পর? সূত্রের খবর জারি করা কঠোর বিধি নিষেধ শিথিল করতে চলেছে নবান্ন। তবে সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হবে না। করোনা বিধি মেনে চলতে হবে সবাই কে। পরিবহনের ক্ষেত্রে এখনও পাকাপাকি কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, বাসে একটি আসন ছেড়ে বসতে হবে যাত্রী দের। গাদাগাদি ভীড় চলবে না। মাস্ক বাধ্যতামূলক।
প্রসঙ্গত ৫ মে লকডাউন ঘোষণার দিন রাজ্যে নতুন সংক্রামিতের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ১০২। মোট কোভিড অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ২১ হাজার ৮৭২। মৃত্যু হয়েছিল ১০৩ জনের। লকডাউনের উদ্দেশ্যই হল সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙা। সেদিক থেকে দেখতে গেলে গত ৩৮ দিনে নতুন সংক্রামিতের সংখ্যা কমেছে অনেকটাই। ১২ই জুন রাজ্য সরকারের বুলেটিন অনুযায়ী রাজ্য জুড়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৮৬ জন। রাজ্যে এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৬ হাজার ২৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮১ জনের।
চলতে পারে লোকাল ট্রেন, এমন আশাপ্রকাশ করেছেন পূর্ব রেলের কর্তারা। করোনা পরিস্থিতিতে শিয়ালদা এবং হাওড়া ডিভিশনে মোট ৩৪০ টি স্তাফ স্পেশাল চলছে। যাত্রীর তুলনায় ট্রেন কম চলায় চাপ বাড়ছে ক্রমশ। শারীরিক দুরত্ববিধি বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। টাই লোকাল ট্রেন চালু করে পরিষেবা পুনরায় চালু করার আবেদন জানিয়েছে পূর্ব রেল। এখন অনুমতি মিললেই স্বাভাবিক হবে ট্রেন চলাচল।









