নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুই দফায় সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। দীর্ঘ ২৪ ঘন্টা ধরে জেরা করার পর তাঁকে গ্রেফতার করে তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু কুন্তলের সঙ্গে কোথায় যোগসূত্র পেল তদন্তকারী সংস্থা? ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সম্পর্কে ইডি যে চার্জশিট দিয়েছিল, সেখানে মিস্টার ঘোষ বলে একজনের নাম উল্লেখ ছিল। সেটা কুন্তল বলেই জানা গেছে। মানিকের চার্জশিটে ছিল কুন্তলের নাম থাকতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Weather Updates: আচমকা পারদ পতনের কারণ কি? সরস্বতী পুজোর আগে কোন বিপদের আশঙ্কা?


এরপর থেকেই সিবিআইয়ের সন্দেহ গিয়েছিল যুব তৃণমূল নেতার দিকে। সেই সূত্র ধরেই গত দুই দফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। সিবিআইয়ের দফতরে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল এবং কুন্তলকে। সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশ্য তাপস মণ্ডল দাবি করেছিলেন ১৯ কোটি টাকা নিয়েছিল কুন্তল। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে কুন্তল। তাঁর বক্তব্য ছিল, তাহলে তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার কেন করল না?

এরপরেই শুক্রবার বলাগড় এবং সল্টলেকে জোড়া অভিযান চালায় ইডি। তারপরেই গ্রেফতার হন কুন্তল। শনিবার তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতারের পর কুন্তল দাবি করে তাপস মণ্ডলকে টাকা দিইনি বলে আমাকে ব্ল্যাকমেল করেছিল, তাই আজ আমার এই অবস্থা। আপনি কি টাকা নিয়েছেন, এই প্রশ্নের উত্তরে কুন্তল বলেন, ‘আমি টাকা নিইনি, তাপস মণ্ডল আমাকে ফাঁসাচ্ছে। তাপস মণ্ডল ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
মানিকের চার্জশিটে ছিল কুন্তলের নাম, গ্রেফতার করল ইডি

অন্যদিকে তাপস মণ্ডল দাবি করছেন, চাকরির জন্য যে টাকা তৃণমূল নেতা কুন্তল একাধিক ব্যক্তিদের কাছ থেকে নিয়েছে, সেই প্রমাণ আমি সিবিআই ও ইডির কাছে দিয়েছি। এমনকি সেই টাকা ফেরতের জন্য ক্রমাগত চাপ দিয়েছি। একাধিকবার টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এমনকি দীর্ঘ সময় ধরে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হত বলে জানিয়েছেন তিনি।









