নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাম্প্রতিক এক গবেষণা রিপোর্টে উঠে এসেছে পণ্যবাহী গাড়ির দূষণে দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা ৷ সার্বিক দূষণ চিত্রেও খুব ভালো স্থানে নেই মহানগর । তবে এই দূষণ কমাতে লাগাতার চেষ্টা করে চলেছে কলকাতা পৌরনিগম । নিচ্ছে একাধিক পরিকল্পনাও । তবে এরমধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট আরও মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কলকাতা পৌরনিগমের ।
আরও পড়ুনঃ করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০০ কোটির মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলল ভারত, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর


সমীক্ষা বলছে ই-কমার্সের গাড়ির দূষণে এগিয়ে দিল্লি। তারপর মুম্বাই। এরপর তৃতীয় স্থানেই শহর কলকাতা। কলকাতার পরে রয়েছে বেঙ্গালুরু ও চেন্নাই। কেন ই-কমার্সের গাড়ি থেকে এতটা দূষণ ছড়াচ্ছে? পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ সোমেন্দ্র মোহন ঘোষ জানাচ্ছেন, “কোভিড অনেক কিছু অভ্যাস বদলে দিয়েছে। সেই অভ্যাস বদলের একটা প্রভাব অবশ্যই পড়েছে পরিবেশে৷

এই সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের গাড়ি প্রথমে বন্দর থেকে আসে তাদের একটা মেজর হাবে। সেখান থেকে তা যায় ওয়্যার-হাউজে। সেখান থেকে তা যায় কোনও গোডাউনে৷ সেখান থেকে গ্রাহকের বাড়িতে যায়। এই গোটা চেন চলে পণ্যবাহী গাড়ি, চার চাকার ছোট পণ্যবাহী গাড়ি ও দু’চাকার যানের উপরে।” এবিষয়ে কী ভাবছে কলকাতা পৌরনিগম? উত্তরে কলকাতার মহানগরিক ফিরহাদ হাকিম বলেন “কলকাতা অপরিকল্পিত ভাবে তৈরি শহর ।



পণ্যবাহী গাড়ির দূষণে তৃতীয় স্থানে কলকাতা! চিন্তাই পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ থেকে প্রশাসন

এখানে ব্রিটিশ আমল থেকে ব্যাবসা হয় বড়বাজার, পোস্তার মতো কিছু জায়গায় । কলকাতার ভিতরে কলকাতা বন্দর । পণ্যবাহী গাড়িকে আসতেই হয় । আমরা চেষ্টা করছি সেটা কমানোর । তবে একেবারে এটা হবে না । ডানকুনির ওপারে লজিস্টিক হবে করছি । কাউকে বলা যায়না রাতারাতি ব্যাবসা তুলে নিয়ে চলে যেতে । শহরের ভিতর দিয়ে না এসে বিকল্প রুটে যাতে পণ্যবাহী গাড়িগুলো আসে সেই চেষ্টা চালাচ্ছি । আমি যে পরিকল্পনা করে যাব তাতে শহরে ট্রাকের সংখ্যা কমবে । দূষণও কমবে ।”







