আমরা সুরক্ষিত নই, ফের বিক্ষোভমুখী কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৃহস্পতিবার বিকেলে জম্মু-কাশ্মীরের বুধগাম জেলার চাঁদুরা এলাকায় সরকারী অফিসের ভিতর ঢুকে এক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তাপ ছড়াল উপত্যকায়। প্রতিবাদে পথে নামল কংগ্রেস-বিজেপি। প্রতিবাদে নামতে দেখা গেল কাশ্মীরি পণ্ডিতদেরও।

আরও পড়ুনঃ জনবিরোধী সরকারকে প্রতিহত করতে পারে বামপন্থী আন্দোলন, ডিওয়াইএফআইয়ের সম্মেলনে বার্তা বুদ্ধদেবের

কাশ্মীরি পণ্ডিতরা এদিন মিছিল থেকে বলেন, এখানে আমরা সুরক্ষিত নই। আমাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন। আমরা যেখানে নিরাপদ আমাদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হোক। আমরা যে কোনও জায়গায় যেতে রাজি। আমাদের জন্য কিছু করা হয়নি।

Image

জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দিন বিকেলেই রাজস্ব বিভাগের সরকারী অফিসে হামলা চালায় জঙ্গিরা। মৃত রাহুল ভাট রাজস্ব বিভাগের কর্মী ছিলেন। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয় তাঁকে। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি।

গত বছর থেকেই একের পর সাধারণ নাগরিক, অন্য রাজ্য থেকে কর্মরত ব্যাক্তি এবং কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গিরা। শুধু অক্টোবর মাসেই পাঁচদিনে ৭ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এদের মধ্যে রয়েছে কাশ্মীর পণ্ডিত, শিখ এবং দু’জন প্রবাসী হিন্দু।  এরপর থেকেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি রাহুল ভাটের মৃত্যুর পর একাধিক এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আমরা সুরক্ষিত নই, একযোগে আন্দোলনে কংগ্রেস-বিজেপিও 

আমরা সুরক্ষিত নই, একযোগে আন্দোলনে কংগ্রেস-বিজেপিও 
আমরা সুরক্ষিত নই, একযোগে আন্দোলনে কংগ্রেস-বিজেপিও 

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই ৩৭০ ধারা বাতিল করে কেন্দ্রিয় সরকার। তারপর থেকেই উপত্যকাজুড়ে বিচ্ছিন্নবাদী সংগঠনগুলির প্রভাব বাড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে একাধিক জনকে খতম করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। একের পর এক কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মৃত্যু ঘটনায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। মোদী সরকার নিরাপত্তায় ব্যর্থ হয়েছে। একযোগে সরব সমস্ত বিরোধী দলগুলি।