নজরবন্দি ব্যুরোঃ কিছুদিন আগেই দিল্লির আবগারি নীতি দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দী হয়েছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া। সেই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যার নামও। গত বছরেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এবার তাঁকে তলব করল ইডিও। ৯ মার্চ কবিতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মনীশের গ্রেফতারির পর মুখ্যমন্ত্রী কন্যাকে তলব।
আরও পড়ুনঃ মমতাকে নিয়ে ব্যক্তিগত কুৎসা, কৌস্তভের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাইকমান্ড, সবটাই রাজনীতি?


সূত্রের খবর, ইডির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, এই আবগারি নীতির মাধ্যমে দিল্লি সহ দক্ষিণের একাধিক ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে অন্যতম তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতা। তাঁর পাশাপাশি মাগুন্টা শ্রীনীবাসালু রেড্ডি, অন্ধ্র প্রদেশের শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের এক সাংসদ এবং অরবিন্দ ফার্মার শরথ রেড্ডিও জড়িত বলে অভিযোগ। এর আগে ১২ ডিসেম্বর কবিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এবার ইডির তরফেও তলব করা হয়েছে।
গত মাসেই দিল্লির আবগারি দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতারের কিছু ঘন্টার মধ্যেই উপমুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন মনীশ। এই মুহুর্তে সেই মামলার যৌথ তদন্ত করছে ইডি ও সিবিআই।

কয়েক দিন আগেই ইডি ও সিবিআইয়ের কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রশেখর রাও, ফারুক আবদুল্লাহ, এনসিপি শরদ পাওয়ার, শিবসেনার উদ্ধভ ঠাকরে এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালরা। এছাড়াও রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত মানও।


মনীশের গ্রেফতারির পর মুখ্যমন্ত্রী কন্যাকে তলব, কী খুঁজছে ইডি?

অভিযোগ, ২০২৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিরোধী রাজনীতিকদের বাড়িতে হানা দিচ্ছে। দেশজুড়ে একাধিক মামলা দায়ের হচ্ছে।অনেকজন রাজনৈতিক নেতারা গ্রেফতারও হচ্ছেন। এবং ঘটনাক্রমে তাঁরা প্রত্যেকেই বিরোধী দলের। তাঁদের বক্তব্য, ভারত যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আশা করছে এ ব্যাপারে আপনি সহমত হবেন। কিন্তু বিরোধীদের ওপর কেন্দ্রীয় সংস্থার নির্লজ্জ অপব্যবহারের জেরে মনে হচ্ছে আমরা গণতন্ত্র থেকে স্বৈরতন্ত্রের দিকে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছি। বিরোধী দলের তরফে এই অভিযোগের পরেই একাধিক রাজ্যে আরও তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।







