বিচারপতিদের আনুগত্য থাকুক সংবিধানের প্রতি। বার আসোসিয়েশয়নের তরফে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনই বার্তা দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। তাঁর সাফ বার্তা যে কোন পার্টির প্রতি নয় বরং দেশের সংবিধানের প্রতিই বিচারপতিদের আনুগত্য থাকা উচিত। বিচারবিভাগ থেকে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার অনেক নিদর্শন রয়েছে। অবসরের পর সরকারি পদ পাইয়ে দেওয়া নিয়েও বিতর্ক হয়েছে অনেক।



আরও পড়ুন : সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে! NIA এর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ
অ্যারিস্টটলের ভাষায়, ‘মানুষ রাজনৈতিক প্রাণী’। কথায় বলে রাজনীতির উর্ধে কেউ নয়। সকলেরই কোন না কোন রাজনৈতিক আদর্শ রয়েছে। কেউ না কেউ কোন না কোন রাজনৈতিক দলকে নজরে রেখে কথা বলে। লোকসভা ভোটের আগে এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে , এই মন্তব্যটি করা হয়েছে নাম না করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মাথায় রেখে।



নিরপেক্ষতা ও নির্দলীয় মনোভাব থাকা বিচারব্যবস্থায় থাকা বাঞ্ছনীয়। প্রধান বিচারপতি বলছেন, বিচারব্যবস্থা চিরকালই ‘আইনসভা এবং নিহিত রাজনৈতিক স্বার্থ থেকে ক্ষমতার বিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করে এর স্বাধীনতা এবং নির্দলীয়তা নিশ্চিত করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বারের স্বাধীনতার মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।’

‘আনুগত্য থাকুক সংবিধানের প্রতি, পার্টির প্রতি নয়’ নাম না করে অভিজিৎকে খোঁচা চন্দ্রচূড়ের!
তাঁর কথায়, রায় দেওয়া হয়ে গেলে তা জনগণের সম্পত্তি। তা নিয়ে প্রশংসা-সমালোচনা উভয়ই হতে পারে। সেটা সাংবাদিকের কলমে, রাজনৈতিক ভাষ্য বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও হতে পারে। সে জন্য বিচারবিভাগকে তৈরি থাকতে হবে। কিন্তু বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসাবে আইনজীবীদের আদালতের রায়ের প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় সতর্ক থাকা উচিত। আইন সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যাক্তির মত আচরণ চলবে না।







