নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরভোটের তালিকা নিয়ে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে দুরত্ব বাড়তে শুরু করেছে। বিতর্কিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে তৃণমূলের নীচুতলার কর্মীদের মধ্যেও। এবার সরাসরি ট্যুইটারে মমতাকে আনফলো করল আইপ্যাক। তাতেই বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ। তৃণমূলের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার সম্পর্ক যে তলানিতে ঠেকেছে সেবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
আরও পড়ুনঃ ময়নাগুড়ির ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য


সূত্রের খবর, কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরা, বাংলা সহ আরও একটি রাজ্য থেকে তৃণমূলের চুক্তি শেষ করার বিষয়ে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোকে মেসেজ করা হয়েছিল। সেখান থেকেই জল্পনা বাড়তে শুরু করেছিল। দলীয় নেতাদের সতর্ক করা হয়েছিল যাতে না এই বিষয়ে কেউ মুখ খোলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আনফলো করতেই এখন তৃণমূলের একাংশের মত তাহলে বিচ্ছেদের প্রথম ধাপে এগিয়ে এল আইপ্যাক।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরু থেকেই আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আওস্তে শুরু করেছিল। এমনকি এবিষয়ে নিজে কিছু মুখ খোলেননি খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং অভ্যন্তরীন বিষোয় নয় বলে এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আইপ্যাকের সমর্থনে মুখ খোলায় সৌগত রায়ের মতো সাংসদকে সতর্ক করে দেয় তৃণমূল।
২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পরেই দলের ক্ষতপুরণের জন্য আনা হয়েছিল প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাক সংস্থাকে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের দারুণ ফলাফলের পিছনে প্রশান্ত কিশোরের বিরাট ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। কিন্তু তখন থেকেই সংস্থা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন পিকে। কিন্তু তা করেননি। বরং একাধিক রাজ্যে তৃণমূলের হয়ে কাজ করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এমনকি মোদি বিরোধী জোটে মমতাকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অন্যান্য নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। শোনা যায় ২০২৬ অবধি চুক্তি হয়েছিল দুই পক্ষের মধ্যে।


ট্যুইটারে মমতাকে আনফলো করল আইপ্যাক, একধাপ বাড়ল সংঘাত

কিন্তু গত কয়েকদিন যাবদ তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল পেজটিকেও সেভাবে সক্রিয় দেখা যায়নি। এমনকি অন্যান্য স্যোশাল মাধ্যমেও সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না আইপ্যাককে। তবে সম্পর্কের সত্যিই ইতি ঘটতে চলেছে? তাই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বাড়ছে জল্পনা।







