নজরবন্দি ব্যুরো: কর্নাটকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে হিজাব পরা অপরিহার্য নয় বলে এক মামলায় জানিয়েছিল কর্নাটক হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল পড়ুয়াদের একাংশ। সেই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারিরও আবেদন করেছিল মামলাকারীরা। হাইকোর্টের রায়ে স্থহিতাদেশ জারি না করে, কর্নাটক সরকারকে নোটিস দিয়েছিল বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ককে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব সিবিআইয়ের, চিটফান্ড মামলায় তৎপরতা


সোমবার তার শুনানিতেই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত বলেন, ‘‘এক মুহূর্তের জন্য ধরে নিলাম, স্কুলে হিজাব, স্কার্ফ বা নিজের পছন্দের অন্য যা কিছু পরার অধিকার রয়েছে। কিন্তু স্কুলের নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম রয়েছে যেখানে, সেখানে হিজাব পরা যায় কি!’’ তার প্রেক্ষিতে মামলাকারীদের আইনজীবী স্কুলের ইউফর্ম হিসেবে ওড়নার সঙ্গে হিজাবের তুলনা টানেন।

স্কুলের ইউনিফর্মে ওড়না থাকলে, হিজাবে কেন আপত্তি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। কিন্তু বিচারপতিরা বলেন, ‘‘ওড়না এবং হিজাবের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কাঁধ ঢাকতে ব্যবহার করা হয় ওড়না।’’ মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, অনেক ক্ষেত্রে ওড়না দিয়ে মাথাও ঢাকেন মেয়েরা। জবাবে বিচারপতি গুপ্ত বলেন, ‘‘পঞ্জাবের শিখ মেয়েরা শুধুমাত্র গুরুদ্বারে যাওয়ার সময়ও মাথায় ওড়না দেন। তার বেশি কিছু না।’’
হিজাব মামলায় সুপ্রিমকোর্টের প্রশ্ন, ‘পড়ুয়ারা কি মিনিস্কার্ট পরে স্কুলে আসবে?’



সোমবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে হিজাব মামলায় আবেদনকারীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আপনারা যুক্তি দিতে পারেন যে স্কুলের তরফে পোশাকবিধি চালু করা যেতে পারে না। তাহলে সেই ক্ষেত্রে কোনও পড়ুয়ার ইচ্ছে হলে সে মিনিস্কার্ট পরে স্কুলে চলে যেতে পারবেন?’ শীর্ষ আদালতের তরফে এদিন পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্দরে ধর্মকে না ঢোকানোই বাঞ্চনীয়।’ হিজাব মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ সেপ্টেম্বর।








