গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের বালুচিস্তানে জঙ্গি সংগঠন জইশ আল অদলের ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালায় ইরান। তেহরান জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল জঙ্গি সংগঠন জইশ অল অদল (Jaish All Adal) এর ঘাঁটি। ইরানের দাবি, এই জঙ্গি সংগঠন তাদের মাটিতে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। কিন্তু ইরানের (Iran) হামলার পর পরই গর্জে ওঠে ইসলামাবাদ (Islamabad)। তারা বৃহস্পতিবার ইরানে পাল্টা হামলা চালায়।
আরও পড়ুন: কথা দিয়ে কথা রাখার নাম তৃণমূল, ধূপগুড়ি মহকুমা হতেই অভিষেককে সাধুবাদ দলের

ওই হামলায় ইরান দাবি করে পাক এয়ারস্ট্রাইকে (Airstrike) চার শিশু এবং তিনজন মহিলার মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়াও দু’জন পরুষেরও মৃত্যু হয়েছে এই হামলায়। সব মিলিয়ে পাক হামলায় ইরানের মাটিতে প্রাণ গিয়েছে ৯ জনের। এদিকে পাকিস্তান দাবি করছে, এই অভিযানে তারা জঙ্গিদের খতম করেছে। এই সবের মাঝেই পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জারি করা হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা ।

কারণ মনে করা হচ্ছে যে কোন সময় আকাশ পথে আক্রমণ চালাতে পারে ইরান। আর সেই কারণেই শুক্রবার সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং গোয়েন্দাকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন। নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছে পাক সেনা। ইরানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (Balochistan Liberation Army) পাক হামলায় নিহতদের পক্ষ নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে যুদ্ধ ঘোষণা করে ফেলেছে।
ফলে অবস্থা খুব একটা ভাল নয় ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। তবে দুই দেশের মধ্যে এই যুদ্ধের আবহে সব পক্ষকেই শান্ত থাকার কথা বলেছে রাষ্ট্রসংঘ। অপর দিকে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি বাইডেন পাকিস্থানের পক্ষ নিলেও শান্তির কথা বলেছেন। তিনি এক প্রেস বিবৃতের জানিয়েছেন ,
ইসলামাবাদে হাই অ্যালার্ট জারি, যে কোন সময় হামলা চালাতে পারে ইরান!

“শান্তি বজায় রাখতে হবে। ওই এলাকায় ইরানকে কেউ খুব একটা পছন্দ করে না। এই সংঘর্ষই তার প্রমাণ। আমরা দেখছি কী করা যায়। তবে কী হতে চলেছে, বলা যাচ্ছে না।’’ সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যে খারাপের দিকে তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথাই স্পষ্ট।



