পদবী টেনে মস্করা! ‘ঘোষ’ মামলায় বেকায়দায় পরা ‘কেষ্ট’দাকে স্বস্তি দিল হাইকোর্ট।

পদবী টেনে মস্করা! 'ঘোষ' মামলায় বেকায়দায় পরা 'কেষ্ট'দাকে স্বস্তি দিল হাইকোর্ট।
পদবী টেনে মস্করা! 'ঘোষ' মামলায় বেকায়দায় পরা 'কেষ্ট'দাকে স্বস্তি দিল হাইকোর্ট।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পদবী টেনে মস্করা! ‘ঘোষ’ মামলায় বেকায়দায় পরা ‘কেষ্ট’দাকে স্বস্তি দিল হাইকোর্ট। কথায় বলে ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না। তবে দেশ তথা রাজ্যের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অনেকসময় সেই কথা ভুলে যান। অজান্তেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন। কুকথা থেকে হিট রাজনৈতিক স্লোগান বর্তমান রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডল একটি পরিচিত নাম।

আরও পড়ুনঃ কমিশনের নির্দেশ মেনে সরলেন ফিরহাদ, কলকাতা পুরসভার নতুন প্রশাসক হলেন খলিল আহমেদ।

গুর-বাতাসা থেকে হালের খেলা হবে সবেতেই জড়িয়ে রয়েছে কেষ্টদার নাম। এহেন অনুব্রত বাবু মহা ফাঁপরে পড়েন এক পদবীর গোষ্ঠী সম্পর্কে মন্তব্য করে।  ঘুরতে হয়েছিল কোর্টেও বারান্দাতেও। কিন্তু ভোটের মুখে সেই মামলা থেকে সোমবার হাইকোর্ট তাঁকে রেহাই দেওয়ায় কার্যত একটু হলেও স্বস্তি পেলেন বীরভূমের ‘কেষ্টদা’। সম্প্রতি নলহাটিতে দলের হয়ে এক জনসভা করছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। সেখানে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে তিনি বলেন, ‘৮০ বছরের আগে ঘোষরা সাবালক হন না।’ এই মন্তব্যের পরেই ক্ষেপে ওঠেন ঘোষ সম্প্রদায়ের মানুষ। সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানায় বিজেপিও।

এক বিশেষ সম্প্রদায়কে এই মন্তব্যের মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে বলে দাবি তোলে তারা। এনিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন সম্রাট ঘোষ নামে এক ব্যক্তি। এদিন ছিল সেই মামলার শুনানি। বিচারকের বক্তব্য, এটি একটি জনস্বার্থ মামলা, তবে এটির জন্য হাইকোর্টে আসার প্রয়োজন নেই। তাঁর নির্দেশ, দরকারে নিম্ন আদালত বা থানায় অভিযোগ জানান অভিযোগকারী। তবে এবিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের অনুরাগীদের কথায়, তিনি তাঁর মন্তব্যের মাধ্যমে শুধুমাত্র দিলীপ ঘোষকেই নিশানা করেছেন, বাকি কারোর সঙ্গে তাঁর মন্তব্যের কোনও যোগ নেই।

পদবী টেনে মস্করা! ‘ঘোষ’ মামলায় বেকায়দায় পরা ‘কেষ্ট’দাকে স্বস্তি দিল হাইকোর্ট। তবে এক্ষেত্রে হাইকোর্টের সহানুভূতি পেলেও পুলিশকে বোমা মারার নিদান থেকে গুড় বাতাসা কিংবা চড়াম চড়াম একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্যে তিনি সবসময়ই খবরে থাকেন।