নজরবন্দি ব্যুরোঃ কমিশনের নির্দেশ মেনে সরলেন ফিরহাদ, কলকাতা পুরসভার নতুন প্রশাসক হলেন খলিল আহমেদ। এবারের নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও অবাধভাবে পালন করতে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহন করছে নির্বাচন কমিশন। জারি করছে নির্দেশিকা। তেমনই একটি নির্দেশিকা দিয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় রাজ্যর পুরসভা ও কর্পোরেশনের প্রশাসক পদ থেকে রাজনীতিকদের সরাতে হবে। সেই নির্দেশ পালনের জন্য সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিল কমিশন।
আরও পড়ুনঃ ‘ওরা ভোটের আগে অনেক কথা বলে, মিটে গেলে ডুগডুগি বাজায়।’ বাঁকুড়ায় বিজেপিকে বিঁধলেন মমতা।


আজ সোমবার ছিল তার শেষ দিন।আর নির্দেশ মেনে আজই কলকাতা কর্পোরেশনের প্রশাসক পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তাঁর জায়গায় নতুন পুর প্রশাসক হিসেবে আনা হল খলিল আহমেদকে। একই নিয়মের আওতায় পড়ে জাচ্ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্যও। তাই তাঁর বদলে শিলিগুড়ি পুরসভার নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়ে আসা হল জিটিএর সচিব সুরেন্দ্র গুপ্তকে। অন্যদিকে আসানসোল, চন্দননগর এবং বিধাননগর কর্পোরেশনে যাঁরা কমিশনার পদে ছিলেন তাঁদেরই প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে বরাবর বিরোধীরা দাবি করে আসছেন সিংহভাগ জায়গাতেই তৃণমূলের লোক পুর প্রশাসক পদে রয়েছেন।
তাঁদের বেশ কিছু জন আবার ভোটে প্রার্থী। যেমন কলকাতার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বন্দরে প্রার্থী। আবার গত মেয়াদে বামেদের দখলে থাকা শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের পুর প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য এই ভোটে সিপিএমের প্রার্থী। এদের প্রত্যেককে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। বিজেপি কমিশনের দ্বারস্থ হয়ে জানিয়েছিল, রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা যদি পুর পুর প্রশাসক পদে থাকেন তাহলে পুরসভার ভূমিকা হবে পক্ষপাতদুষ্ট। এবং তাঁরা এও বলেছিল সমস্ত পুরসভাগুলো হয়ে উঠবে শাসকদলের পার্টি অফিস। যা নির্বাচন বিধির পরিপন্থী। তাঁদের কথায় সহমত পোষণ করে এই পদে থাকা নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছিল কমিশন। তবে উক্ত পদ থেকে সরলে আর নেতাদের ভোটে দাঁড়াতে বাধা থাকছে না।
কমিশনের নির্দেশ মেনে সরলেন ফিরহাদ, কলকাতা পুরসভার নতুন প্রশাসক হলেন খলিল আহমেদ। সম্প্রতি বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া বলেছিলেন, ‘জেলায় দেখা যাচ্ছে, নগদ অর্থ থেকে ফ্ল্যাগ, ফেস্টুন, ফ্লেক্স বিতরণ হচ্ছে পুরসভা থেক।’ তার পরেই নড়েচড়ে বসে কমিশন। যে অভিযোগকে ভিত্তি করেই এই নির্দেশ দেয় কমিশন।









