নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাদা-কালো-হলুদের পর আতঙ্কের রঙ সবুজ! গবেষণা তেমনটাই বলছে। দেশ জুড়ে এই মুহুর্তে আতঙ্ক দিনে দিনে ঘনীভূত হচ্ছে করোনাকে ঘিরে। টানা আড়াই মাস পর দেশে আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও এখন সমান ভাবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ফাঙ্গাসের আক্রমন। দ্বিতীয় ঢেউয়ের শুরুতেই আক্রমনের হার ব্যাপক হারে বেড়েছিল ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের।
আরও পড়ুনঃ অতিবৃষ্টিতে বিধ্বস্ত গ্রাম থেকে শহর, কবে কমবে বৃষ্টি জানালো হাওয়া অফিস


এক-দুই করে দেশ জুড়ে এই মুহূর্তে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক। তার মাঝেই আতঙ্ক বাড়িয়েছে সাদা এবং হলুদ ফাঙ্গাসের অস্ত্বিত্ব। করোনায় দুর্বলদের শরীরে জন্ম নিয়ে ঘাপটি মেরে থেকে অসুস্থতা বাড়াচ্ছে এসব ফাঙ্গাস। বাকি তিন রঙের পরে গবেষণা বলছে এই মুহুর্তে আতঙ্কের রঙ সবুজ।
গত কয়েক দিন আগেই ভারতে পাওয়া গিয়েছে সবুজ ফাঙ্গাসের অস্ত্বিত্ব। এক যুবকের শরীরে বাসা বেঁধেছিল সবুজ ছত্রাক। সূত্রের খবর ৩৪ বছরের এক যুবক করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পরে আচমকা শুরু হয় নাক দিয়ে রক্তপাত। শরীরে অত্যাধিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ফের ভর্তি করা হলে জানা যায় তাঁর ফুসফুসে বাসা বেঁধেছে গ্রিন ফাঙ্গাস।
তার পর থেকেই চিকিৎসকদের কপালে ভাঁজ ফেলেছে এই নতুন রঙ। গবেষণা বলছে এই সবুজ ছত্রাক আসলে অ্যাসপারগিলোসিস। বাড়ির ভেতর বা বাইরে যেকোন জায়গা থেকেই আমাদের শরীরে হাওয়ার মাধ্যমে প্রবেশ করতে পারে। দুর্বলদের শরীরে সহজেই থাবা বসিয়ে ঘাটি গাড়ে এই ফাঙ্গাস।


সাদা-কালো-হলুদের পর আতঙ্কের রঙ সবুজ! তবে এই ছত্রাকের উপসর্গ খানিকটা কালো ছত্রাকের মতোই। করোনায় যাঁদের ফুসফুস বেশি পরিমাণে আক্রান্ত হচ্ছে, বা হাঁপানির সমস্যা আছে শরীরে তাঁদের দেহেই মূলত সক্রিয় ভাবে উপস্থগিতি লক্ষ্য করা যায় এই ফাঙ্গাসের। উপসর্গ বলছে কাশি, কাশির সঙ্গে রক্ত পড়া, শ্বাসকষ্ট, আচমকা শরীরের ওজন কমে যাওয়া, জ্বর, দুর্বলতা ইত্যাদির আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। প্রতিরোধ হিসেবে ধুলো জায়গা এড়িয়ে যাওয়া, মাস্কের ব্যাবহার এবং সবসময় হাত-পা পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখার কথা বলা হয়েছে।







