নজরবন্দি ব্যুরো: এখনই গ্রেফতার করা যাবে না প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে। সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচ পেলেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গৌতম পাল। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে স্বস্তি ফিরল পর্ষদ সভাপতির।
আরও পড়ুন: শীতের আমেজ উধাও! বাংলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস, আবহাওয়া নিয়ে কী বলছে আলিপুর


গত ১৮ অক্টোবর ওএমআর দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি গৌতম পাল ও পর্ষদ সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে বলে সিবিআই-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেছিলেন, প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। বিচারপতির এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান গৌতম পাল। এরপরই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। গত সোমবারের পর আজ ফের এই মামলার শুনানি শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সিবিআই কেবল কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত করতে পারবে। আপাতত তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে।

এদিন গৌতম পালের আইনজীবীর যুক্তি দেন, ২০২২ সালের ২৪ অগস্ট পর্ষদের সভাপতি পদে যোগ দিয়েছিলেন গৌতম পাল। এরপর ডেপুটি সেক্রেটারি হিসাবে যোগ দেন পার্থ কর্মকার। যে সময় দুর্নীতি হয়েছে, তাঁরা কেউই সেই সময়ের পদাধিকারী নন বলে দাবি করেন আইনজীবী। বিপরীত পক্ষের আইনজীবী তথ্য লোপাটের ইঙ্গিত দিলেও তা বিশেষ গুরুত্ব পায়নি। যাবতীয় সওয়াল জবাবের পর গৌতম পালকে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত রক্ষাকবচ দেওয়া হয়।



গত শুনানিতে গৌতম পালের আইনজীবী কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে সুপ্রিম কোর্টকে ‘ওভার রিচ’ করার প্রচেষ্টা হিসাবে ব্যাখ্যা করেন বলেও খবর। তিনি বলেছিলেন, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সালের সময়কালের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। সেখানে বর্তমান পর্ষদ সভাপতিকে ডাকার কারণ কী? সেদিন সুপ্রিম কোর্টের তরফে এই মামলায় সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।
OMR দুর্নীতি মামলায় স্বস্তি পর্ষদ সভাপতির, ‘সুপ্রিম’ রক্ষাকবচ পেলেন গৌতম পাল









