নজরবন্দি ব্যুরো: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি গৌতম পাল। ওএমআর দুর্নীতি মামলায় এদিন শুনানিতে রক্ষাকবচ দিল না শীর্ষ আদালত। তাহলে কি সিবিআই সংসদ সভাপতিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে?
আরও পড়ুন: ‘ফাঁসলে সবাইকে জড়িয়ে দেব’, ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছিলেন রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাকিবুর


চলতি মাসের ১৮ তারিখ ওএমআর দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি গৌতম পাল ও পর্ষদ সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে বলে সিবিআই-কে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেছিলেন, প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। বিচারপতির এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান গৌতম পাল। আজ বিচারপতি অনুরুদ্ধ বোস ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর এজলাসে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করেন, দুর্নীতি যখন হয়েছে তখন গৌতমবাবু পর্ষদের সঙ্গে যুক্তই ছিলেন না। ফলে তাঁকে জেরা করার প্রয়োজনীয়তা কী?

গৌতম পালের আইনজীবী কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে সুপ্রিম কোর্টকে ‘ওভার রিচ’ করার প্রচেষ্টা হিসাবে ব্যাখ্যা করেন বলেও খবর। তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সালের সময়কালের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। সেখানে বর্তমান পর্ষদ সভাপতিকে ডাকার কারণ কী? এই মামলায় সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। তবে শেষপর্যন্ত গৌতম পালকে রক্ষাকবচ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।



উল্লেখ্য, ওএমআর দুর্নীতি মামলায় গৌতম পালকে সিবিআইয়ের সামনে হাজিরা দেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যে ৬ টার কিছু আগে নিজাম প্যালেসে যান তিনি। রাত ১১ টা নাগাদ সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি।
OMR দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তি বাড়ল গৌতম পালের, সুপ্রিম কোর্টে মিলল না রক্ষাকবচ








