নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিল কৃষক সংগঠনগুলি। ইতিমধ্যেই তাঁরা জানিয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার দিল্লির দিকে যাওয়া সব রাস্তা অবরোধ করে দেবে তাঁরা। এরপর আগামী সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর থেকে আরও বড় আন্দোলনের পথে নামতে চলেছেন তাঁরা। সেই আন্দোলনে যোগ দিতেই পাঞ্জাব থেকে আরও অনেক কৃষক সংগঠন দিল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
আরও পড়ুনঃ কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা রাজ্যের, আপার নিয়োগ প্রক্রিয়া খারিজ আদালতের!


ফের দেশজুড়ে কৃষক আন্দোলনের ডাক জানা গিয়েছে, ট্রাক্টরে করেই দল্লি আসছেন তাঁরা। গত ২৬ শে নভেম্বর থেকে দিল্লিতে নতুন কৃষি আইন নিয়ে কৃষক আন্দোলন শুরু হয়েছে। তাতে যোগ দিয়েছেন প্রায় ৫০০ কৃষক সংগঠন। গত মঙ্গলবার কৃষি আইন প্রত্যহারের দাবিতে ভারত বনধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। তাতে ভালোই সাড়াও মিলেছে। কিন্তু কেন্দ্রের সঙ্গে হওয়া কৃষকদের সঙ্গে বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র বের করা যায়নি।
এখনও পর্যন্ত কৃষকদের নিয়ে মোট পাঁচবার বৈঠকে বসেছে কেন্দ্র। কিন্তু তাতেও নিট ফল শূন্যি থেকে গেছে। কৃষক মজদুর সংঘর্ষ কমিটির নেতা, এস এস পান্ধের জানিয়েছেন, ‘প্রায় ৭০০ ট্রাক্টর দিল্লির কুন্দলি সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসছে। এতদিন তাঁরা অমৃতসরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। শুক্রবার তাঁরা দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ‘এদিকে যাতায়াতের জন্য কৃষকরা কোনও সরকারি মাধ্যম ব্যবহার করছে কিনা, সেদিকে নজর রাখছে দিল্লি পুলিশ।
এমনকি এই জমায়েতের ফলে যাতে হিংসাত্মক কোনও ঘটনা না ঘটে, সেদিকেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কেন্দ্র জানিয়েছে কৃষকদের দাবি মেনে কৃষি আইনে কিছু সংশোধন করতে রাজি তারা। কিন্তু কৃষক সংগঠনের দাবি, এই আইন পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে হবে। এমনকি তারা এমনও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যতদিন না কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে ততদিন পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে তারা।


কেন্দ্র জানিয়েছে, কৃষকদের দাবি মেনে কৃষি আইনে কিছু সংশোধনী করতে রাজি আছে তারা। কিন্তু কৃষক সংগঠনের দাবি, এই আইন পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে হবে। যতদিন না সেটা প্রত্যাহার করা হচ্ছে ততদিন তারা আন্দোলন চালাবে বলেই জানিয়েছে। তবে কৃষকদের এই জমায়েতের ফলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বাড়ছে। সিঙ্ঘু সীমান্তে দায়িত্বে থাকা দুই আইপিএস অফিসার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
ফের দেশজুড়ে কৃষক আন্দোলনের ডাক এই জমায়েতের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি মামলা করেছেন আইনজীবী ওম প্রকাশ পরিহার। তাঁর আবেদন সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিকে এই জমায়েতকে অন্য জায়গায় সরিয়ে দেওয়ার। দিল্লির এক আইনজীবী রিপক কানসালও একটি মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর আবেদন, এই জমায়েতের ফলে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের কোনও সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে সুপ্রিম কোর্টকে।







