নজরবন্দি ব্যুরো: কলকাতা হাইকোর্টে ফের জোর ধাক্কা রাজ্যের। এবারে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন প্যানেল থেকে শুরু করে মেধাতালিকা সবটাই বাতিল করে দিলেন, কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১১ ও ২০১৫ সালে টেট হয়েছিল। পরীক্ষা হওয়ার পরেই যারা টেট এ নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাদের ভেরিফিকেশনের জন্য ২০১৬ সালে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি কী হয়।
আরো পড়ুনঃ ‘২১ নির্বাচনের আগেই ডিজিটাল ভোটার কার্ড বাংলায়। নিশ্ছিদ্র হবে ভোটাধিকার?
আর সেই তালিকায় অনেক গড়মিল থাকায়, ওই তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৯ সালে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হয়। মমলাকারিরা অভিযোগ করেন, যাঁরা যোগ্য নন তাদের নামও তালিকায় ছিল। এছাড়াও আর্থিক কারচুপিরও অভিযোগ ওঠে। আর এই মামলাতেই শুক্রবার বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের এজলাসে এই রায় হয়।
হবু শিক্ষকদের অভিযোগ, উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে, পরীক্ষা হয় ২০১৫ সালে,এবং ফল প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে। এরপর ২০১৯ সালে ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ নেওয়া হয় সেখানে দেখা যায় অনেক অপ্রশিক্ষনরত এবং কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীরা ডাক পেয়েছে। এরই ভিত্তিতে আমরা হাইকোর্টে কেস করেছিলাম। এরপর বেশ কয়েকজন কেস পিটিশনের ভেরিফিকেশন ডাক পায় । কিন্তু এখনও প্রায় ৪২০০ জন কেস পিটিশনের অর্থাৎ রিট পিটিশনের ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ হয়নি।
এরই মধ্যে কমিশনের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৯ সালে প্রভিশনাল মেরিট লিস্ট বের করার রায় দিয়েছিল। পাশাপাশি মেরিট লিস্ট র উপর কারোর কোনো অভিযোগ থাকলে কমিশনে জমা করার কথা বলেছিলেন বিচারপতি। সেই মতো প্রায় ১২০০০ প্রার্থী অভিযোগ করেছিল। অভিযোগ মূলত ছিল নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর
১) অনেক অপ্রশিক্ষনরত প্রার্থী র মেরিট লিস্ট এ অন্তর্ভুক্তি ।
২) যারা এখনো ভেরিফিকেশন এবং ইন্টারভিউ এ ডাক ই পায়নি তাদের তুলনায় কম স্কোর প্রাপ্য প্রার্থী মেরিট লিস্ট এ অন্তর্ভুক্তি।
৩) মেরিট লিস্ট প্রার্থীদের টেট ওয়েইটেজ নিয়ম বহির্ভূত বৃদ্ধি।
৪) রেশিও মেইনটেইন না করা।
৫) গেজেট না মানা।



