নজরবন্দি ব্যুরো: ৮বছর বয়সে প্রয়াত হলেন বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন যুগ্মসচিব অমিতাভ চৌধুরী। আজ সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে৫ মারা যান তিনি।ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিও ছিলেন তিনি।১৯৬০ সালের ৬ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তিনি আইআইটি খড়গপুর থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর ১৯৮৫ সালে আইপিএস হন। তিনি বিহার ক্যাডার পেয়েছেন।
আরও পড়ুন:এএফসি কাপ খেলতে পারবেনা মোহনবাগান, ফিফার নির্বাসনে ফলে


এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জেএসসিএ-এর দায়িত্বে ছিলেন অমিতাভ, বিসিসিআই-এর যুগ্ম-সচিব হন তিনি। ক্রিকেট বোর্ডের কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস শাসনামলে তিনি ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্বও পালন করেন। রাঁচিকে ঝাড়খণ্ড ক্রিকেটের সদর দফতরে পরিণত করতে এবং জামশেদপুর থেকে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অমিতাভ চৌধুরীরই ভূমিকা ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করে তাঁর প্রাক্তন সহকর্মী অনিরুদ্ধ চৌধুরী জানান, ‘ঝাড়খণ্ডের ক্রিকেটের জন্য় অমিতাভের অবদান ভোলার মতো নয়। ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসন ওঁকে মিস করবে এবং ওঁ যে শূন্যস্থানটা রেখে গেলেন,তা ভরাট করা কখনও সম্ভব হবে। ওঁর মৃ্ত্যুতে আমি মর্মাহত।’
২০১৯ সাল পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের কার্যকরী সচিব হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করা অমিতাভ চৌধুরী ছিলেন ক্রিকেট অন্তপ্রাণ। মহেন্দ্র সিং ধোনি-র রাজ্য ঝাড়খণ্ড ক্রিকেট সংস্থার সভাপতিও ছিলেন তিনি। পাশাপাশি গত বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে বিসিসিআইয়ের বিভিন্ন পদ ও কমিটিতে ছিলেন তিনি। বিসিসিআই-য়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।


শোকের ছায়া ক্রিকেট মহলে ,প্রয়াত হলেন বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সচিব অমিতাভ চৌধুরী

তিনি শুধু ক্রিকেটে নয়, রাজনীতিতেও খুবই সক্রিয় ছিলেন অমিতাভ চৌধুরী। ২০১৪ সালে ঝাড়খণ্ডে লোকসভা নির্বাচনে তিনি লড়াই করেন। বাবুলাল মারান্ডির প্রাক্তন পার্টি JBM থেকে টিকিট পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ৬৭ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে ছিলেন তিনি। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে ঝাড়খণ্ড লোকসেবা আয়োগের সভাপতি পদে অলংকৃত করা হয়। ২০২২ সালের জুলাই মাসেই সেই কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়েছিল।







