নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাতের অন্ধকারে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাণ্ডব এক ব্যক্তির। প্রথমে দুই সন্তান, তারপর পুলিশ কর্মী, পরপর পাঁচ জনকে কুপিয়ে খুন করলেন এক ব্যক্তি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ত্রিপুরার খোয়াই জেলার শেওড়াতুলিতে। নিহতদের মধ্যে একজন অটো চালক রয়েছেন। কয়েকজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Covid19: করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জরুরী বৈঠক


স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রদীপ দেব রায় নামে পেশায় রাজমিস্ত্রি ওই ব্যক্তি প্রথমে দুই সন্তানকে খুন করে। এরপর স্ত্রীকেও খুনের চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তি। বারি থেকে বেরিয়ে ধারলো অস্ত্র নিয়ে এক অটো ওয়ালার ওপর চড়াও হয় অভিযুক্ত। চলন্ত অটো থামিয়ে চালককে খুন করে সে। নিহতদের মধ্যে একজন প্রদীপের ভাই।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় খোয়াই থানার অফিসার। উপস্থিত হন টিআরএস জওয়ানরা। পুলিশ অফিসার সত্যজিৎ মল্লিককে খুন করে ওই ব্যক্তি। পরে পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ে ধরে চলে ধরেপাকড়। শেষমেশ অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। কোনও মানসিক কারণে এই ঘটনা ঘটল? তার জন্য শুরু হয়েছে চিকিৎসা।
মৃত পুলিশ কর্মীর দেহ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। গোটা ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে প্রশাসন। নির্বাচনী মরশুমে একাধিক হিংসার ঘটনার আবহে নৃশংস হত্যালীলার ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে। মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ওই ব্যক্তি কীভাবে এতটা উত্তেজিত হয়ে উঠলেন হকচকিত স্থানীয় বাসিন্দারা।


প্রথমে দুই সন্তান, তারপর পুলিশ কর্মী, পরপর পাঁচ জন খুন ত্রিপুরায়

এবিষয়ে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিল্পব দেব লিখেছেন, “নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে উন্মত্ত এক দুর্বৃত্তের হামলায় খোয়াই থানার সেকেন্ড অফিসার সত্যজিৎ মল্লিকের শহীদ হওয়ায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। নিষ্ঠাবান এই পুলিশ অফিসারসহ এ ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের আত্মার সদগতি কামনা করছি। পরিবার-পরিজনের প্রতি জানাই আমার গভীর সমবেদনা। ঈশ্বরের কাছে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”







