দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়, মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে দিল ডিলারদের সংগঠন।

দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়, মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে দিল ডিলারদের সংগঠন।
দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়, মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে দিল ডিলারদের সংগঠন।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের মোট রেশন গ্রাহদের ৫০ শতাংশ এই পুজোর মরশুমে বাড়িতে বসেই রেশন পাবেন। এর আগে ১৫ শতাংশ রেশন গ্রাহক কে বাড়িতে রেশন দেওয়া হচ্ছিল। এবার সেই ১৫ শতাংশের সাথে যোগ হচ্ছে আরও ৩৫ শতাংশ। অক্টোবরের প্রথম ৯ দিন চলবে এই পাইলট প্রজেক্ট। কিন্তু মাসের প্রথম দিনেই বেঁকে বসলেন রেশন ডিলাররা।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সহ ১৩ কংগ্রেস বিধায়ক, এবার মিশন মেঘালয়!

আদালতে তাঁদের কেস ধোপে টেকেনি। কিন্তু তবুও পিছু হটতে নারাজ রেশন ডিলাররা। ফেয়ার প্রাইস শপ এবং রেশন ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, এখন দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। এই প্রকল্প কার্যকর না করার পিছনে একাধিক যুক্তি খাঁড়া করা হয়েছে তাঁদের পক্ষ থেকে। তাঁরা দাবি করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তাঁরা এই ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছেন।

খাদ্যদপ্তরের নির্দেশিকা ছিল, পুজোর মাস অক্টোবরের প্রথম ৯ দিন চলবে এই প্রজেক্ট। সেই ৯ দিনের মধ্যেই রাজ্যের ৫০ শতাংশ রেশন গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। কিন্তু এতে সমস্যা বেড়েছিল রেশন ডিলারদের।  কারন, আগে যেখানে ১৫ দিন হাতে সময় পেতেন ডিলাররা। বাকি ১৫ দিন গ্রাহকরা দোকানে আসতেন। এবার সময় ৬ দিন কমে ৯ দিন হয়ে গিয়েছিল।

এদিকে আজ দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে রেশন ডিলারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ অ্যান্ড রেশন ডিলার্স অ্যাসোশিয়েশন। সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি বিশ্বম্ভর বসু বলেন, রাজ্য সরকারের দুয়ারে রেশন (Duare Ration) প্রকল্প এখন কার্যকর করা সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর এই বিষয়ে কথা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা হয়েছে।

দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়, সাফ জানালেন ডিলাররা।

দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়, মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে দিল ডিলারদের সংগঠন।
দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়, মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে দিল ডিলারদের সংগঠন।

যুক্তি হিসেবে তিনি বলেছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে যে পরিমান লোকবল দরকার তা নেই ডিলারদের কাছে। তাছাড়া যেদিন যেদিন দুয়ারে রেশন দিতে যাবেন তাঁরা সেদিন তাঁদের দোকান বন্ধ রাখতে হবে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বাড়তি বোঝা ঘাড়ে নেওয়ার পাশাপাশি কমবে রোজগার। সর্বোপরি ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্ট (National Food Security Act) অনুযায়ী, রেশন সামগ্রী এভাবে দোকানের বাইরে বের করা সম্ভব নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here