নজরবন্দি ব্যুরোঃ মধ্যরাতে চাকরি প্রার্থীদের ধর্নামঞ্চ থেকে পুলিশের টেনে হিঁচড়ে তুলে দেওয়ার অভিযোগে গর্জে উঠেছে বিশিষ্ট জনেরা। সরকারের এহেন মনোভাব নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। এবার সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন পরিচালক কমলেশ্বর মুখ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, চোর পুলিশ হাত মিলিয়ে আন্দোলন ভাঙে।
আরও পড়ুনঃ Anirban Bhattacharya: মানুষ না গর্জে ওঠা অবধি এটা চলবে, সরকারের বিরুদ্ধে সরব অনির্বাণ


তিনি বলেন, গতকালের পর আজ সকাল। নির্লজ্জ পুলিশ চোরেদের ক্ষেত্রে আইনের শাসন জারি করতে অপরাগ। চাকুরিপ্রার্থীরা ও প্রতিবাদকারীদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অগণতান্ত্রিকভাবে আঘাত করছে। এর থেকে সরকারের স্বৈরচারী মনোভাব সুস্পষ্ট। স্বৈরাচার ও মিথ্যাচার দুয়ে মিলে এক অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গে। একটা ভয়াবহ সংক্টের দিকে রাজ্য এগিয়ে চলেছে বলে দাবি করেন তিনি।

কিছুদিন আগেই সিপি(আই)এমের বই বিক্রিকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি গড়ে ওঠে। গ্রেফতার হন পরিচালক কমলেশ্বর মুখ্যোপাধ্যায়। গতকালের ঘটনার পর থেকেই সরব হয়েছেন পরিচালক। সেটা তাঁর প্রত্যেকটি ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট। কোথাও তিনি লিখছেন, পথে রক্ত, দেওয়াল তবু নীল সাদায় রাঙে চোর পুলিশ হাত মিলিয়ে আন্দোলন ভাঙে। আবার কখনও বলছেন, পুলিশ প্রশাসনকে ধিক্কার।
অবিলম্বে বাম ছাত্র যুব নেতৃত্ব ও যোগ্য চাকরিপ্রাথীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। তাঁদের পাশে আছি।
উল্লেখ্য, মধ্যরাতে যেভাবে চাকরি প্রার্থীদের তুলে দেওয়া হয়েছে, তা অসাংবিধানিক। সেই ডেপুটেশনে সই করেছেন বুদ্ধিজীবী। সেই তালিকায় রয়েছেন, ড: বিনায়ক সেন, অপর্ণা সেন, কুণাল সরকার, বিভাস চক্রবর্তী, সুমন মুখোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, কৌশিক সেন, ঋদ্ধি সেন, বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায় রেশমী সেন, বোলান গঙ্গোপাধ্যায় এবং সুজন মুখোপাধ্যায়রা।


চোর পুলিশ হাত মিলিয়ে আন্দোলন ভাঙে, বিস্ফোরক মন্তব্য কমলেশ্বরের

গতকালের ঘটনার পর সরব হয়েছেন অপর্ণা সেন। ট্যুইট করে তিনি লেখেন, তৃণমূল সরকার অনশনকারীদের গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন করছে। অহিংস আন্দোলনে ১৪৪ ধারা জারি হল কেন? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই অগণতান্ত্রিক এবং অনৈতিক কাজের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ঋদ্ধি সেন ট্যুইট করে বলেন, ধিক্কার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পুলিশকে এক শান্তিপূর্ণ, যোগ্য আন্দোলনের গায়ে এমন বীভৎস আঘাত করার জন্য। এই জঘন্য কাজের মাশুল গুনতে হবে রাষ্ট্রকে।







