নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে পুরভোটের ফলপ্রকাশের পরেই রাজ্যের নেতাদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সরাসরি আত্মবিশ্লেষণের কথা বলেন হুগলীর সাংসদ। শনিবার বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকের পরেই রাজ্যের নেতাদের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। নাম না করে সংগঠনের সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীকে নিশানা করে লকেটের বক্তব্য, মঞ্চে বলবেন। কিন্তু কাজের লোককে বাদ দিয়ে কাছের লোককে সংগঠনের দায়িত্ব দেবেন। এরপরেই লকেটের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ। বললেন, অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো মানে পরচর্চা করা।
আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ব্যর্থ সংযুক্ত মোর্চা জোট, অবশেষে স্বীকার করলেন সূর্যকান্ত


দিলীপ ঘোষ বলেন, আত্মবিশ্লেষণ আগে থেকেই চলছিল। একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টিতেই আত্মবিশ্লেষণ হয়। কিন্তু কেউ যদি নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়ে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপায় সেটাকে আত্মবিশ্লেষণ বলে না। তাকে পরচর্চা বলা হয়। আত্মবিশ্লেষণ মানে আমায় কী ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল? আমি পালন করতে পেরেছি কী না সেটাই আত্মবিশ্লেষণ।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ভোট করতে দেওয়া হয়নি। ষাট বছর বয়সী একজন নেতাকে মেরে হাত পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ভয় বাড়িছাড়া অনেকে। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। যারা বিজেপির হয়ে কাজ করে তাঁদেরকে বের হতে দেওয়া হয়নি। কারণ তাঁদেরকেই টার্গেট করা হবে।
অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো মানে পরচর্চা করা, লকেটকে জবাব দিলীপের

শনিবার চিন্তন বৈঠকের পর সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, কাজের লোককে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু সংগঠনের সময় কাছের লোককে খুঁজবেন। পুরানো লোকদের বাদ দেওয়া ঠিক হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর প্রেক্ষিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির বক্তব্য, এই সব কথা বলা খুব সহজ। যারা ময়দানে নেই তাঁরা যদি এই ধরনের অভিযোগ করেন তাহলে কী হবে? যারা ময়দানে ছিলেন তাঁরা জানেন লড়াইটা কত কঠিন।









