নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘শুভেন্দুকে দেখে মমতা কি প্রত্যেকবার এ ভাবেই পালিয়ে যাবেন?’ প্রশ্ন তুললেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সাগরের বৈঠকে মমতা ‘না’ উত্তর দিলেও অনেকেই ভাবছিলেন কলাইকুন্ডা যাচ্ছেন যখন বৈঠকে থাকতেও পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তবে কার্যত তা হলোনা এদিন। ঘটনা যা হোল তাতে তিনি সাগরদ্বীপ থেকে কলাইকুন্ডা গেলেন। সমস্ত প্রোটোকল মেনে স্বাগত জানালেন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে। ক্ষয়-ক্ষতির রিপোর্ট হ্যান্ডওভার করলেন এবং চপারে গেলেন দিঘার দিকে।
আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় করোনার গ্রাসে ১৪৫, কিছুটা স্বস্তি দিয়ে এক ধাক্কায় সংক্রমণ কমল রাজ্যে।


ইয়াসের পর পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখা এবং ক্ষয়-ক্ষতির পর্যালোচনা করতে আজই আমনে সামনে বসার কথা ছিলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কাল নবান্ন থেকে মমতা নিজে জানিয়েছিলেন, আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী আসবেন, আমাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে, আমি যাবো, মিট করবো। কিন্তু রাত থেকেই গল্প ঘুরে যায়। দিল্লি থেকে নবান্ন’তে খবর আসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কলাইকুন্ডার বৈঠকে থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং শুভেন্দু অধিকারী। তার পর থেকেই বেঁকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রথম থেকেই গররাজি ছিলেন তিনি। আজও সাগর দ্বীপের বৈঠক থেকে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে উপস্তিত থাকবেন কিনা প্রশ্ন করা হলে উত্তর দিয়েছিলেন বৈঠকে শুধু ক্ষয়ক্ষতির হিসেব যাবে তিনি যাবেন না! সঙ্গে জানিয়েছিলেন “আমাকে কলাইকুন্ডায় যেতে হবে। যেতে প্রায় ৪৫ মিনিট সময় লাগবে। আমাদের একটা কাগজ হ্যান্ডওভার করতে হবে। তাই জাস্ট ১৫ মিনিটের জন্য আমাকে যেতে হবে। আমি রিভিউ মিটিংটায় থাকছি না। জাস্ট কাগজটা হ্যান্ডওভার করব, কোথায় কী ক্ষতি হয়েছে। যতটা এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে আছে।”
বিপর্যস্ত বাংলাকে সুস্থ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্যাকেজ চেয়েছেন বিশ হাজার কোটি টাকার । দিঘায় প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা জানিয়েছেন দিঘার উন্নয়নের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার যদি একটা প্যাকেজ আর সুন্দরবন উন্নয়নের জন্য যদি ১০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ করা যায়। মোট ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ চেয়েছেন।


‘শুভেন্দুকে দেখে মমতা কি প্রত্যেকবার এ ভাবেই পালিয়ে যাবেন?’ বৈঠকের পর মমতাকে এভাবেই তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ধর্মেন্দ্র প্রধান টুইটে লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত পর্যালোচনার বৈঠকে আজ যা ঘটল তা জনাদেশের এক বিরাট বড় অপমান। মমতা কি প্রত্যেকবার শুভেন্দুকে দেখে এ ভাবেই পালিয়ে যাবেন? জয় (নির্বাচনে) তো নম্রতা এবং ভদ্রতা নিয়ে আসে। দুঃখের বিষয় হল, দিদির কাছে থেকে শুধুমাত্র অহংকারী আচরণ পাওয়া গেল।”
What transpired at the cyclone-related review meeting in West Bengal is a great insult to the mandate given by the people.
Will @MamataOfficial Didi run away seeing @SuvenduWB every time?
Victory brings grace and humility, sadly it was only of arrogance & egotism from Didi.
— Dharmendra Pradhan (@dpradhanbjp) May 28, 2021







