বড়দিনে তিন বছর পর ফের বড় পর্দায় ফিরছে ‘প্রজাপতি’ ফ্র্যাঞ্চাইজি। ‘প্রজাপতি ২’ ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা তুঙ্গে। তবে প্রথম ছবির সাফল্য সত্ত্বেও এই সিক্যুয়েল করার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না—এ কথা নিজেই স্বীকার করলেন দেব।
অভিনেতার কথায়, প্রযোজক ও পরিচালকের সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা, হিসেব-নিকেশের পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। “যা-ই হোক, ভক্তদের জন্য ‘প্রজাপতি ২’ উপহার দিতেই চেয়েছি,” বলেন দেব। তাঁর মতে, ‘প্রজাপতি’ নামটার সঙ্গে আবেগ আর প্রত্যাশা—দুটোই জড়িয়ে। তাই সেই নাম ফের ব্যবহার করার দায়িত্বও অনেক বেশি।
তবে চ্যালেঞ্জ কম নয়। বড়দিনে ‘প্রজাপতি ২’-এর পাশাপাশি মুক্তি পাচ্ছে ‘মিতিন মাসি’ ও ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’। ফলে হল কম পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগের বারও সরকারি হল পাওয়া নিয়ে সমস্যা হয়েছিল—এবারও ব্যতিক্রম নাও হতে পারে। কিন্তু এই পরিস্থিতিকে ভয় নয়, বরং লড়াই হিসেবেই দেখছেন দেব।
মুক্তির আগে ট্রেলার লঞ্চে তিনি স্পষ্ট বলেন, “হল কম পাওয়া নিয়ে অনেক কথা হবে। সেগুলোতে কান দেবেন না। যদি একটা শো-ও পান, পরিবারকে নিয়ে গিয়ে দেখুন। আমি প্রমাণ করব—বাংলা সিনেমা একটা শো নিয়েও একশোয় পৌঁছতে পারে।”
এই আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে কী? দেবের যুক্তি, দর্শকের ভালোবাসা। তাঁর কথায়, “আমি স্বপ্ন দেখা ছাড়ব না। যত দিন স্বপ্ন দেখব, তত দিন এই লড়াই চলবে।” তিনি মনে করেন, ‘প্রজাপতি ২’ কেবল সিক্যুয়েল নয়—এটা দর্শকের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক।
একই সঙ্গে তিনি সব ছবিই দেখার অনুরোধ জানালেও হাসিমুখে যোগ করেন, “সব সিনেমা দেখুন। আর যদি ভালোবাসতেই হয়—প্রজাপতিকেই ভালোবাসবেন।” বড়দিনের বক্স অফিসে শেষ হাসি কার—তা সময়ই বলবে। তবে দেব যে আত্মবিশ্বাসে ভর করেই মাঠে নামছেন, তা স্পষ্ট।



