মৃত্যুসংখ্যা ছুঁয়েছে ৫ হাজার, মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে #Turkey

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার জোড়া ভুমিকম্পে ধূলিসাৎ তুরস্ক এবং সিরিয়ার একাধিক এলাকা। গতকাল সারা দিন ধরে প্রবল ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মধ্যেও চলেছে উদ্ধার কাজ। সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা এখনও অবধি কমছে না। ইতিমধ্যেই মৃত্যুসংখ্যা ছুঁয়েছে ৫ হাজার। গতকাল সারারাত ধরে চলেছে উদ্ধারকাজ। সোমবার ভোরে ঘুমন্ত অবস্থায় এখনও কেউ আটকে থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ #Turkey: মৃতের সংখ্যা ১২০০ ছাড়াতে পারে, ধ্বংসস্তুপে পরিণত তুরস্ক ও সিরিয়ার একাধিক এলাকা

সোমবার ভোরবেলা রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্র ছিল ৭.৮। তুরস্কের সমস্ত বড় শহর, যেখানে জনবস্তি এবং শরণার্থীদের সংখ্যা বেশী, সেখানেই ভুমিকম্পের জেরে বিরাট ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর দুপুরে দেশের দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে ফের কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্র ছিল ৭.৫। পরপর ভূমিকম্পের জেরে এখন ক্ষয়ক্ষতি স্পষ্ট করতে পারছে না তুরস্কের প্রশাসন।

মৃত্যুসংখ্যা ছুঁয়েছে ৫ হাজার, চরম হাহাকার তুর্কি জুড়ে 
মৃত্যুসংখ্যা ছুঁয়েছে ৫ হাজার, চরম হাহাকার তুর্কি জুড়ে 

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল গাজিয়ানতেপ এবং কারহামানমারাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা করা হচ্ছে। ঘন বরফের চাদরে ঢেকে গেছে গোটা এলাকা। বহুতলে থাকা বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা হলেও এখনই বাড়ি ফিরতে নারাজ তাঁরা। প্রবল ঠান্ডার মধ্যে রাতযাপন করছেন বাইরেই। কেউ কেউ বাসস্ট্যান্ডে থাকছেন, কেউ আবার নিজেকে প্লাস্টিক জড়িয়ে রেখেছেন। বৃষ্টি ও ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আবাসনের জিনিসপত্র দিয়েই গা গরম করছেন অনেকে।

FoWDps6akAAzoYf

তুরস্কের উদ্ধারকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সে দেশেই শুধুমাত্র মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে তিন হাজারের কাছাকাছি। অন্যদিকে, সিরিয়া এবং তুরস্ক এই দুই দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজারের কাছাকাছি। আহত হয়েছেন ২০ হাজারের কাছাকাছি। বিশ্বের একাধিক দেশ সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে। খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতও।

মৃত্যুসংখ্যা ছুঁয়েছে ৫ হাজার, চরম হাহাকার তুর্কি জুড়ে 

মৃত্যুসংখ্যা ছুঁয়েছে ৫ হাজার, চরম হাহাকার তুর্কি জুড়ে 
মৃত্যুসংখ্যা ছুঁয়েছে ৫ হাজার, চরম হাহাকার তুর্কি জুড়ে 

সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আলেপ্পো এবং লাতাকিয়া এলাকায় সবচেয়ে বেশী ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে এই এলাকায় যুদ্ধক্ষেত্র হওয়ার কারণেও আগেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ওই এলাকার সমস্ত স্কুল আগামী দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন