নজরবন্দি ব্যুরো: মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা, যার নাম দেওয়া হয়েছে মোচা (Mocha)। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ৯ মে’র মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে। প্রাথমিকভাবে উত্তরমুখী হলেও ‘মোচা’ কোনদিকে ঘুরবে? ল্যান্ডফল কোথায় হবে? এখনও স্পষ্ট জানায়নি মৌসম ভবন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি কলকাতায় ঝড় বৃষ্টি হবে? কি বলছে আবহাওয়া দফতর।
আরও পড়ুন: Weather Update: ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, কাল থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন?


আলিপুর আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। পূর্বাভাস বলছে, আগামী ৬ মে শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। পরের দিনই অর্থাৎ রবিবার (৭ মে) সেটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্কতা জারি হলেও তার ল্যান্ডফল কোথায় হবে তা এখনও জানা যায়নি। তবে আমেরিকা ও ইউরোপের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আগামী ১৪ মে ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলের স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি হয়েছে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা জানানো হয়েছে। ঝোড়ো হাওয়া বইবে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে। শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর এবং নদিয়াতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কাল থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তাপমত্রা বাড়বে। যদিও এখনই রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা নেই।

কলকাতায় মোচার তাণ্ডব? বাংলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা
‘মোচা’ আতঙ্কে কাঁপছে পশ্চিমবঙ্গের পাশের রাজ্য ওড়িশা। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ওই রাজ্যের সরকার। বাংলাতেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে বলেও জানা গিয়েছে। আশঙ্কা রয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের।



উল্লেখ্য, ‘মোচা’ নামকরণ করেছে ইয়েমেন। পুরনো বন্দর শহর ‘মোচা’ বা ‘মোকা’ থেকেই এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে। মোচা শহরের নামকরণের পিছনে রয়েছে একটি কাহিনী। বিখ্যাত মোচা ফ্লেভারের কফি উৎপাদন হয় ইয়েমেনের বন্দর শহরে।







