নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্রমশ দ্বিতীয় ঢেউ কাটিয়ে উঠছে দেশ, ৮১ দিন বাদে সর্বনিম্ন করোনা সংক্রমণ। তৃতীয় ঢেউ আসন্ন, বিশেষজ্ঞরা এমন জানালেও আপাতত দ্বিতীয় ঢেউ কাটিয়ে ওঠার পথে দেশ। গত আড়াই মাসের মধ্যে দেশে গতকাল সর্বনিম্ন সংক্রমণ। সেই সঙ্গে কমল দৈনিক মৃত্যুর হারও। টানা দুই সপ্তাহ ধরে সংক্রমণ ১ লাখের নীচে, যা স্বস্তি দিচ্ছে চিকিৎসামহল থেকে দেশবাসীকে। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৪১৯ জন। এর ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৮ লক্ষ ৮১হাজার ৯৬৫।
আরও পড়ুনঃ হলদিয়া ঢোকার আগেই জাহাজে ফুটো, ১০ হাজার লিটার তেল ছড়ালো বঙ্গোপসাগরে


শুক্রবার মৃতের সংখ্যা দেড় হাজারের আশপাশে থাকলেও শনিবার তা হঠাত্ই বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১ হাজার ৬৪৭। শনিবারের নিরিখে রবিবার মৃতের সংখ্যা কিছু কম। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫৭৬ জনের। এর ফলে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭১৩। অ্যাক্টিভ কেস, অর্থাত্ চিকিত্সাধীন রোগীর সংখ্যা এখনও ৮ লক্ষের নিচেই রয়েছে। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে চিকিত্সাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ২৯ হাজার ২৪৩। মাসখানেক আগেই এই সংখ্যাটা ছিল ৩৭ লক্ষের উপরে। সুস্থতার হার ৯৬.২৭ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৭ হাজার ৬১৯ জন। ফলে দেশে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮৭ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯ জন। অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল বা আইসিএমআরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শনিবার ১৮ লক্ষ ১১ হাজার ৪৪৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
ক্রমশ দ্বিতীয় ঢেউ কাটিয়ে উঠছে দেশ, ৮১ দিন বাদে সর্বনিম্ন করোনা সংক্রমণ। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯ এর জন্য ৩৯ কোটি ১০ লক্ষ ১৯ হাজার ৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। এইমস প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আছড়ে পড়তে পারে তৃতীয় ঢেউ। তাই সংক্রমণ কমে এলেও সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা









