নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার সংবিধান দিবস উপলক্ষে অনুপস্থিত ছিলেন ১৪ টি বিরোধী দলের সাংসদরা৷ রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকাজুন খাড়গের সিদ্ধান্তে সংসদের অনুষ্ঠান বয়কট করে সমস্ত দল৷ কিন্তু অনুপস্থিত থেকে ভিন্নমত পোষণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। একই ইস্যুতে ভিন্ন সিদ্ধান্ত দুই দলের। তবে কী শীতকালীন অধিবেশনের আগেই বিরোধী শিবিরে ফাটল ধরতে শুরু করল?
আরও পড়ুনঃ Tripura: প্রথমে দুই সন্তান, তারপর পুলিশ কর্মী, নৃশংস হত্যালীলা ত্রিপুরায়


তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, এটা দলের একান্ত সিদ্ধান্ত। কংগ্রেস এর ক্রেডিট নিচ্ছে। কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে তৃণমূল সর্বদা বিরোধী ঐক্যের কথা বলে আসছে কিন্তু এমন নয় যে সংসদের ভিতরেও কংগ্রেসের কথায় মান্যতা দিতে হবে। যদিও কংগ্রেসের দাবী, সবাইকে একসঙ্গে নিয়েই বীরোধী ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব।

দুই শিবিরের মধ্যে সম্পর্কের চিড় ধরতে শুরু করেছিল অনেক আগে থেকেই। যখন কংগ্রেসের ডাকা সংসদে একের পর এক বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদরা। তখন থেকেই আঁচ মিলছিল। বাদল অধিবেশনে কৃষি আইন, পেগাসাস স্পাইওয়্যার, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির মতো ইস্যুগুলিকে সামনে রেখে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন তৃণমূল সাংসদরা৷ যার জেরে অচল হয় সংসদ কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল সারা দেশের নজরে আসা। সেই জায়গায় কংগ্রেসের ঝাঁঝ কম মনে হয়েছিল।


আসন্ন অধিবেশনে একই ইস্যুতে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে দু’পক্ষ। সেখানে ত্রিপুরা এবং বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চলেছে তৃণমূল। এই মুহুর্তে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের সদস্য সংখ্যা ৩৪। তৃণমূলের সাংসদ ১৩ জন। রাজ্যসভায় দ্বিতীয় বৃহত্তম দল তাঁরাই। জাতীয় স্তরে মমতা, ‘স্ট্রিট ফাইটার’ এর গুরুত্ব কোথায়? সেটা বুঝিয়ে দিতেই প্রস্তুতি শুরু করেছেন সাংসদরা।
একই ইস্যুতে ভিন্ন সিদ্ধান্ত, বিরোধী শিবিরে বাড়ছে ফাটল

অন্যদিকে, বিরোধী বেঞ্চে ঐক্য অটুট রাখতে আনন্দ শর্মার ওপর দায়িত্ব দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। একসময়ের যুব কংগ্রেস সামলেছে মমতা-আনন্দ দ্বৈরথ। তাঁর সঙ্গে মমতার সমঝোতা বরাবর ভালো। অধিবেশনের আগেই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে চেয়েছিলেন হাইকম্যান্ড। বাধ সাধে মেঘালয়ের ঘটনা। ১২ বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করায় দুরত্ব বেড়েছে দুই দলের। তবে কী বিরোধী বেঞ্চে আলাদা স্লোগান শোনা যাবে? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের৷







