নজরবন্দি ব্যুরোঃ জোটের বড় ভরসা, আব্বাসের দলকে আরও ৮টি আসন ছাড়ল কংগ্রেস! ভোটের আগে জোট সমস্যা মেটাতেই মাস ঘুরেছে বাম-কংগ্রেসের। নিজেদের মধ্যে আসন রফার মোটামোটি একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে আব্বাস সিদ্দিকির সেকুলার ফ্রন্টের সঙ্গে ‘মহাজোট’ তৈরি করছে বাম-কংগ্রেস জোট। কিন্তু সিদ্দিকিকে কটি আসন ছাড়বে ২১এর বাংলায় তা নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছিল না কোন দলই। মঙ্গলবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিআইএমের সদর দফতরে বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে বৈঠক হয়।
আরও পড়ুনঃ পুলিশের লাঠিচার্যের শিকার, নিহত মইদুলের স্ত্রী চাকরি পেলেন পুলিশেই!
তারপর বুধবার রাত নটা থেকে ফের বৈঠক শুরু হয়েছিল সিপিআইএম রাজ্য দফতরে। সেখানে ছিলেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, আবদুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য এবং আব্বাসের দলের প্রতিনিধি নৌসাদ সিদ্দিকি। বৈঠকের মূল বিষয় ছিল আসন বন্টন। এবং তা আব্বাসের দল আইএসএফের সাথে। আব্বাস-ই জোটের ট্রাম্পকার্ড, কংগ্রেস কে বুঝিয়ে বড় ত্যাগের পথে হেঁটেছিল বামেরা।
জোটের বড় ভরসা আব্বাস, কিন্তু অনড় ছিল কংগ্রেস। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুরে আসন ছাড়বে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিল দল। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গেও এমন সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কয়েকটি আসন আইএসএফ দাবি করছিল যা গত নির্বাচনে জিতেছে কংগ্রেস। ফলে সমাধান আসছিলো না কোনোভাবেই। তবে এবার তুলনামূলক সহজ হচ্ছে জোটের রাস্তা। বামেরা আগে দিনই সবুজ সিগন্যাল দিয়েছিলো।
এবার সেদিকে একধাপ এগিয়ে এলো কংগ্রেসও। সূত্রের খবর রফার পর নিজেদের ঝুলিতে থাকা কয়েকটি আসন সিদ্দিকির সেকুলার ফ্রন্টকে আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে কংগ্রেস। আব্বাসের দাবী মেনে দক্ষিণ বঙ্গের ৮টি আসন ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে অধীরের দল। তবে বালিগঞ্জ সহ আরও দু একটি আসন নিয়ে এখনও সমাধান আসেনি। আর ২৮ এর ব্রিগেডের আগে একসঙ্গে তিন দলের বসার কোন উপায় নেই বলে জানাচ্ছে সুত্র। অর্থাৎ সম্পুর্ণ আসন রফার জন্য এখনও অপেক্ষা করতে হবে ২৮ পর্যন্ত।



