নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুব্রত বলেছিলেন সিপিএমের রাজনীতি, মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন চাকরি দেব! কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের লাঠিচার্যের শিকার নিহত মইদুলের স্ত্রী চাকরি পেলেন পুলিশেই! বাম যুবনেতা মইদুলের মৃত্যুতে এখন ব্যাকফুটে রাজ্য প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করার পরেই তদন্ত শুরু হয়েছে মইদুলের মৃত্যুর মূল কারন জানতে।
আরও পড়ুনঃ মহার্ঘ্যভাতা বৃদ্ধি, সাথে এরিয়ার। বড় খবর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্যে।


নবান্ন অভিযানে গিয়ে পুলিশের লাঠিতে ব্যাপকভাবে আহত হন বাম যুব কর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্যা। চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম জানান, পুলিশের প্রচণ্ড মারে মইদুলের শরীরের একাধিক মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত লাগে। ফলে সডিয়াম, পটাশিয়াম বেরিয়ে গিয়ে ফুস্ফুসে জল জমতে শুরু করে জল। পেশি থেকে অতিরিক্ত প্রোটিন বেরিয়ে যায়, ফলত মৃত্যু হয় বছর ৩১এর যুবকের।
পুলিশের লাঠিচার্যের শিকার, মইদুল বারবার বলছিলেন, “আর বাঁচবুনি, বাঁচবুনি আর।” অবশেষে তাঁর কথাই সত্যি হয় এদিন সাত সকালে। মাত্র ৩১ বছর বয়েসে ২ই কন্যা এবং স্ত্রি আলেয়া কে রেখে ‘শহীদ’ হয় মইদুল। তাঁর মৃত্যুতে রাজ্যজুড়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বামেরা। প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশ। পরে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, “যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। কী ভাবে মারা গেছে তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। যদি পরিবার চায় তাহলে আমরা একজনকে চাকরি দেব।”

আজ সেই প্রতিশ্রুতি রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার মইদুল ইসলাম মিদ্যার স্ত্রীর মামনি খাতুনের হাতে হোমগার্ডের চাকরির নিয়োগ পত্র তুলে দেওয়া হয়। রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা, বাঁকুড়া জেলা পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও, বাঁকুড়া জেলা শাসক রাধিকা আইয়ার এই নিয়োগ পত্র মামনি খাতুনের হাতে তুলে দেন। তিনি কোতুলপুর থানায় হোম গার্ডের ডিউটি করবেন।









